15/06/2026 : 1:01 AM
জীবন শৈলীস্বাস্থ্য

শীত আসছে, আপনার শিশুর যত্ন নিন

জিরো পয়েন্ট নিউজ – বিশেষ প্রতিবেদন, ৪ নভেম্বর ২০২৪ :



শীত আসছে, ভোরের বাতাসে হিম হিম আবেশ। শীত আসতে খুব দেরি নেই। আবহাওয়া পরিবর্তনের সাথে শুরু হয় বিভিন্ন রোগের উপসর্গ। শিশুরা বেশ ভোগে এই কয়েকটা মাস। তাই সচেতন থাকতে হবে। সাধারণ কিছু বিষয় খেয়াল রাখলে শিশুর অনেক ধরনের শারীরিক সমস্যাই প্রতিরোধ করা যায়। শিশুরোগ বিশেষজ্ঞর মতে, ‘শীতকালে ফ্লুয়ের প্রবণতা বেড়ে যায়। বাইরে তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় শরীর তাপ হারাতে থাকে। এর ফলে শিশু দুর্বল হয়ে পড়ে এবং সংক্রমণের ঝুঁকিও বেড়ে যায়। তাই মাথা ও বুক ঢেকে রাখলে তা শিশুকে উষ্ণ থাকতে সহায়তা করে। এর জন্য নিশ্চিত করতে হবে যেন শিশুর গায়ের তাপমাত্রা খুব বেশি না কমে যায়।

শীতে শিশুর পোশাকে বিশেষ নজর দিতে হবে। কারণ এই সময়ে ধুলোবালি বেশি থাকায় তা শিশুর পোশাকে আটকে থাকে, বিশেষ করে উলের তৈরি পোশাকে। এর থেকে হতে পারে ‘ডাস্ট এলার্জি’। তাই নিয়মিত গরম  জল দিয়ে পোশাক পরিষ্কার করা জরুরি।

ভারী পোশাক পরালে খেয়াল রাখুন, ভেতরটা ঘামছে কি না। এই সময় শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্র চালাবেন না। ফ্যান চালালেও খেয়াল রাখুন, কখন তাপমাত্রা কমে যাচ্ছে। যেমন ভোররাতে বেশ ঠান্ডা অনুভূত হয়। এমন সময়ে ফ্যান বন্ধ করে দিন। শিশুরা ঘুমের মাঝে গা থেকে কাঁথা-কম্বল ফেলে দিতে পারে। শেষ রাতে অবশ্যই খেয়াল করুন, এগুলো ঠিকঠাক আছে কি না।

শিশুরা খেলাধুলায় যত সক্রিয় থাকবে, ততই তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে। তাই শিশুকে খেলাধুলার সুযোগ করে দিতে হবে। রোদের আলো পড়ে এমন জায়গায় খেলার ব্যবস্থা করে দিলে শিশুর শরীরে ভিটামিন ডি এর ঘাটতি যেমন পূরণ হবে, তেমনি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়বে।

শিশুদের এই সময়ে ঠাণ্ডা খাবার খেতে না দেওয়াই ভালো। ফ্রিজের খাবার দিতে হলে ভালোভাবে গরম করে দেওয়া উচিত। শীতে আবহাওয়া শুষ্ক থাকায় তরল জাতীয় খাবার বেশি করে দেওয়া উচিত। দিনে অন্তত একবার কুসুম গরম দুধ, জল, স্যুপ জাতীয় খাবার খাওয়াতে হবে। এতে শিশুর ঠাণ্ডাজনিত সমস্যার উপশম হবে। পাশাপাশি শিশুকে দিতে হবে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল।

অনেক বাবা-মা শীতে শিশুকে নিয়মিত স্নান করাতে চান না। তাদের ধারণা, প্রতিদিন স্নান করালে শিশুর ঠাণ্ডা লেগে যাবে। এটি একটি ভুল ধারণা। শিশুদের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। শিশুদের ত্বক কোমল থাকে। তাই ত্বকের বাড়তি যত্নের প্রয়োজন। শীতের শুষ্ক আবহাওয়ায় শিশুর ত্বক আরও সেনসিটিভ হয়ে উঠে। অনেকেই শিশুর ত্বকে তেল ব্যবহার করে থাকেন। এতে করে গায়ে আরও বেশি ময়লা আটকানোর সম্ভাবনা থাকে। এ সময় ভিটামিন ই সমৃদ্ধ লোশন ব্যবহার করাই ভালো হবে।

তবে এই সময় শ্বাসকষ্ট, নাক থেকে জল পড়া, শ্বাসপ্রশ্বাসের সময় বুক দেবে যাওয়া বা বুকে শব্দ হওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দিলে শিশু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

Related posts

জেনে নিন শনিবারের রাশিফল

E Zero Point

কল্পতরু উৎসবঃ ‘‌তোমাদের চৈতন্য হোক’

E Zero Point

এই নববর্ষে, আপনার অন্তরকে “হ্যালো” বলুন

E Zero Point

মতামত দিন