জিরো পয়েন্ট নিউজ, জামালপুর, ১২ নভেম্বর ২০২৪ :
আন্ত্রিকের প্রকোপ! জানা গেছে, জলবাহিত আন্ত্রিকে আক্রান্ত প্রায় ১৪ জন গ্রামবাসী। পুকুরের জল ব্যবহারই প্রাথমিক কারণ বলে মনে করা হচ্ছে। একমাত্র পানীয় জলের কলের উপর ভরসা, তাও মাঝেমধ্যেই খারাপ। পূর্ব বর্ধমান জেলার জামালপুরের, আঝাপুর পঞ্চায়েতের মোহনপুর গ্রামে আন্ত্রিক নিয়ে আতঙ্ক ছড়িয়েছে এলাকাবাসীদের মধ্যে। ঘটনায় গ্রামবাসীদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে সোমবার।
এলাকার মানুষজন জানিয়েছেন, গ্রামের পুকুরের জলই তারা সব কাজে ব্যবহার করেন। একমাত্র পানীয় জলের কলটি রয়েছে গ্রামের শিশুশিক্ষা কেন্দ্রে, আর তার ওপরই ভরসা করতে হয় গ্রামবাসীদের। কিন্তু সেই কল মাঝেমধ্যেই খারাপ হয়ে পরে থাকে। অভিযোগ, তা সারানোর জন্য পঞ্চায়েত বা প্রশাসনের কোন উদ্যোগ দেখা যায় না। গ্রামবাসীরা নিজেদের উদ্যোগেই চাঁদা তুলে মাঝেমধ্যে ওই একমাত্র কল সারিয়ে ব্যবহার করেন। কিন্তু একান্ত উপায় না থাকায় তারা পুকুরের জল ব্যবহার করেন বলেই দাবি করেছেন।
এই ঘটনায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে পুকুরের জল ব্যবহার না করার জন্য নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। তাতে গ্রামবাসীরা আরও বিপাকে পড়েছেন। তারা প্রশ্ন তুলেছেন, পুকুরের জল ব্যবহার না করলে বাড়ির সমস্ত কাজের জলের যোগান কোথা থেকে পাবেন তারা ? এ নিয়েই তাদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। এদিকে ইতিমধ্যেই ওই এলাকায় স্বাস্থ্য দপ্তরের পক্ষ থেকে প্রতিনিধিরা গিয়ে ক্যাম্প করেছে এবং বাড়ি বাড়ি তারা পরিদর্শন করছেন।
জামালপুরের বিধায়ক অলোক কুমার মাঝি এলাকা পরিদর্শনে ছিলেন তিনি নিজেও।পর ’স্বাস্থ্য দপ্তর এই গোটা বিষয়টি নজর রেখেছে।একটি পুকুরের জল ব্যবহারের ফলেই হয়তো কিছু সমস্যা দেখা দিয়েছে। তবে যার মৃত্যু হয়েছে তাঁর বয়সজনিত বিভিন্ন অসুখের সমস্যা ছিল, তার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রশাসন ও স্বাস্থ্য দপ্তরের কর্মীরা সজাগ রয়েছে।

ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে অতিরিক্ত জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক সুবর্ণ গোস্বামী জানান জামালপুরের সম্প্রীতি একটা গ্রামে হয়েছে আন্ত্রিক। এটা বিভিন্ন জায়গায় প্রতিমাসই হচ্ছে, কারণ টিউবওয়েল পর্যাপ্ত থাকছে না কোথাও। আবার কোথাও মানুষ অভ্যাস বশত পুকুরের জলে বাসন ধুচ্ছেন। আমরা জেলা পরিষদ, পঞ্চায়েত সমিতি গুলোকে বলেছি পর্যাপ্ত টিউবওয়েল দিতে হবে। গতকাল কের রিপোর্ট অনুযায়ী মোট নয় জন ভর্তি আছে, আজকের রিপোর্ট দেখে জানাতে পারবো কত জন ভর্তি।



