29/08/2026 : 6:50 PM
ট্রেন্ডিং নিউজ

ভিক্টোরিয়া ইনস্টিটিউশন (কলেজ)-এর এনএসএস ইউনিটের উদ্যোগে শিয়ালদহে এইচআইভি/এইডস সচেতনতা অভিযান আয়োজিত

জিরো পয়েন্ট নিউজ কলকাতা, ২৯ অগাষ্ট ২০২৬ঃ


পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য এইডস প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ সমিতি (ডব্লিউবিএসএপিএন্ডসিএস) এবং ন্যাকো-র সহযোগিতায়, ভিক্টোরিয়া ইনস্টিটিউশন (কলেজ)-এর এনএসএস ইউনিট এবং রেড রিবন ক্লাবের যৌথ উদ্যোগে ‘ইনটেনসিফাইড আইইসি ক্যাম্পেইন ২০২৬’-এর অধীনে সোমবার একটি সচেতনতা অভিযান আয়োজন করা হয়।

উদ্বোধনী ভাষণে অধ্যক্ষা এইচআইভি ও এইডস সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সামাজিক কলঙ্ক দূর করার উপর জোর দেন। সফলভাবে এই কর্মসূচি আয়োজনে সহায়তার জন্য তিনি ডব্লিউবিএসএপিএন্ডসিএস-কে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। ডব্লিউবিএসএপিএন্ডসিএস-এর সহকারী পরিচালক (যুব বিষয়ক) শ্রীমতী পিয়ালী দাস এনএসএস স্বেচ্ছাসেবকদের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং বলেন যে শিয়ালদহের মতো একটি ব্যস্ত এলাকায় এই অভিযান পরিচালনার ফলে সমাজের সকল স্তরের মানুষের কাছে সরাসরি পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে। বিশিষ্ট চিকিৎসক ডাঃ নিবেদিতা দত্ত একটি বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ তুলে ধরে জোর দিয়ে বলেন যে, এইচআইভি সংক্রমণ মানেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে এইডস নয় এবং আইসিটিসি কেন্দ্রগুলিতে দ্রুত পরীক্ষা ও কাউন্সেলিংয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

স্বাস্থ্য সচেতনতার বিভিন্ন দিক তুলে ধরে কলেজের আইকিউএসি সমন্বয়কারী ডাঃ সুদীপ সিংহা উল্লেখ করেন যে, এইচআইভি সচেতনতার পাশাপাশি তরুণীদের মধ্যে এইচপিভি টিকা গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি। সহযোগী অধ্যাপক সুছন্দা ঘোষ রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের উদ্যোগে কলেজের নিয়মিত অংশগ্রহণের প্রশংসা করেন এবং ডাঃ সুচন্দ্র গুহ মন্তব্য করেন যে, ছাত্রছাত্রীরা সামাজিক দ্বিধা কাটিয়ে সাহসের সাথে অংশগ্রহণের জন্য এগিয়ে এসেছে। ডাঃ শুভেন্দু চন্দ্র বলেন, “এইচআইভি সংক্রান্ত সচেতনতা, সঠিক তথ্য এবং প্রতিরোধমূলক বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য আমাদের কলেজে এই সচেতনতামূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। আসুন আমরা ভয় দিয়ে নয়, জ্ঞান ও সচেতনতা দিয়ে এইচআইভির বিরুদ্ধে লড়াই করি।”

ডাঃ সুকৃতি লাহোরী সিনহা উল্লেখ করেন যে, সম্মিলিত উদ্যোগ এবং যৌথ প্রচেষ্টাই সামাজিক সচেতনতার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় প্রভাব ফেলে। ডঃ মৌসুমী দাসগুপ্ত, শ্রীমতি মীনা চক্রবর্তী এবং ডঃ কস্তুরী মজুমদার বলেন যে, এনএসএস সমাজসেবা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার গৌরবময় ঐতিহ্য অব্যাহত রেখেছে। পরিশেষে, এনএসএস প্রোগ্রাম অফিসার ডঃ চিত্রিতা ভৌমিক মন্তব্য করেন যে, নিয়মিত পড়াশোনার পাশাপাশি সমাজকল্যাণে ছাত্রছাত্রীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রশংসনীয় এবং এই ধরনের উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য হলো ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সমাজসেবার প্রতি অনুপ্রাণিত করা।

Related posts

নতুন বছরে কিছু মোবাইলে চলবে না হোয়াটসঅ্যাপ, কিন্তু কেন?

E Zero Point

রাতের আকাশে দেখা দেবে নীল চাঁদ!‌ ১৯ বছরে একবার ঘটে

E Zero Point

পরিবেশ রক্ষার বার্তা, জামাইষষ্ঠী’তে মিষ্টির গাছ

E Zero Point

মতামত দিন