জিরো পয়েন্ট নিউজ নাদনঘাট, সৈয়দ আবু জাফর, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ :
গৃহশিক্ষিকার বাড়ি থেকে পড়ার পর রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিল দ্বিতীয় শ্রেণির এক ছাত্রী। কয়েক ঘণ্টা পর স্থানীয় খড়ি নদী থেকে উদ্ধার হলো তার নিথর দেহ। নাবালিকাকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে বলে সরাসরি অভিযোগ তুলেছে নিহতের পরিবার। ঘটনার তদন্তে নেমে স্থানীয় এক নাবালক ও তার বাবাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে নাদনঘাট থানার পুলিশ।মর্মান্তিক এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নাদনঘাট থানার অন্তর্গত গৌড়িরাঙ্গা এলাকার বাসিন্দা ওই একরত্তি শিশুটি আজ, মঙ্গলবার সকালে স্থানীয় এক শিক্ষিকার কাছে পড়তে যায়। পরিবারের দাবি, অভিযুক্ত নাবালকও একই শিক্ষিকার কাছে পড়তে গিয়েছিল। সকালে পড়ার ছুটি হয়ে যাওয়ার দীর্ঘ সময় পরেও ছাত্রীটি বাড়ি না ফেরায় উদ্বিগ্ন পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা তল্লাশি শুরু করেন।
পরিবারের অভিযোগ, খোঁজাখুঁজির সময় ওই নাবালক দাবি করে— এক অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি মেয়েটিকে মোটরবাইকে তুলে নিয়ে চলে গিয়েছে। নাবালকের কথা বিশ্বাস করে পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা সোজা নাদনঘাট থানায় গিয়ে নিখোঁজ ডায়েরি করেন। এরপরই দুপুরের দিকে খড়ি নদীতে একটি দেহ ভাসতে দেখেন স্থানীয়রা। কাছে গিয়ে দেখা যায়, নিখোঁজ হওয়া সেই ছাত্রীরই দেহ। খবর পেয়ে বিকেলে নাদনঘাট থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নদী থেকে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।
পরিবারের স্পষ্ট অভিযোগ, শিশুকে একা পেয়ে ধর্ষণ করার পর শ্বাসরোধ করে খুন করে নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিভ্রান্ত করতেই নাবালক বাইকে তুলে নিয়ে যাওয়ার গল্প ফেঁদেছিল। ঘটনার জেরে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন গ্রামবাসীরা। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। আটক নাবালক ও তার বাবাকে জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে গোটা ঘটনার নেপথ্যের কারণ খতিয়ে দেখছে পুলিশ।



