15/07/2026 : 5:18 PM
অন্যান্য

তুলির টানে সেজে উঠলো মেমারির রাস্তাগুলিঃ আঁচলের জন সচেতনতা মূলক প্রচার

প্রেরণা দে, মেমারিঃ লকডাউনে বন্দী মানুষ। করোনার প্রকোপ থেকে বাঁচতে মানুষ আজ গৃহবন্দী। মেমারি শহরের মানুষ লকডাউন চলাকালীন মেমারির অনের রুপ দেখেছে। একদিকে লকডাউনে রাস্তায় মানুষের ভিড়, বাজারে বাজারে মানুষের সামাজিকদূরত্ব ভেঙে নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর কেনা কাটা। অন্যদিকে বিভিন্ন প্রশাসনিক, রাজনৈতিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সেবামূলক কাজে অসহায় মানুষরে পাশে এসে দাঁড়ানোর ছবি।

আঁচলের ব্যবস্থাপনায় লকডাউনের প্রথমদিন থেকে মেমারি পথবাসীদের জন্য প্রতিদিন অন্নসেবা করে আসছে বিভিন্ন সেবামনোভাপন্ন মানুষের সাহায্য নিয়ে এবার তারা পথে নামলো জন সচেতনতা মূলক প্রচারে। মেমারি শহরের বাসষ্ট্যান্ড, বামুনপাড়া মোড়, চকদিঘী মোড়, হাসপাতাল মোড়, সোনাপট্টী রোডে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে রাস্তাতে ছবি আঁকা হল ও সচেতনতা মূলক স্লোগান লেখা হল। করোনা যোদ্ধাদের সম্মান জানানো হল।

আঁচলের শাশ্বতী দাস ও শর্মিষ্ঠা নায়েকের মস্তিস্ক প্রসূত ভাবনায় রং তুলি নিয়ে এগিয়ে এলো বাবাই দাস, বুবাই চক্রবর্তী , কবিতা চক্রবর্তী , সেখ শাজাহান , শুভাশিস দে , চন্দ্রানী ভট্টাচার্য ও সাহেব সরকার এছাড়াও শিক্ষক- চিত্র শিল্পী অপূর্ব সু, দেবাশীষ ব্যানার্জী, আবির বিশ্বাস, সৌরভ রায়ের সহযোগিতা গত ৩দিন ধরে এই কর্মকান্ড চললো মেমারি শহরের রাস্তায় রাস্তায়।

আঁচলের পক্ষ থেকে শর্মিষ্ঠা নায়েকে জানান যে, “ভেঙে মোর ঘরের চাবি , নিয়ে যাবি কে আমারে ? ” বর্তমান সময়ে কবি গুরুর এই কথা টি আজ খুবই প্রাসঙ্গিক । সত্যিই তো ঘরে থাকলেই আমরা সুরক্ষিত থাকবো। সাধারণ মানুষের মধ্যে এই সচেতনতা বৃদ্ধি করতেই আঁচলের এই প্রয়াস। আশাকরি মানুষ কিছুটা সচেতন হবে।

শিক্ষক-চিত্রশিল্পী অপূর্ব সু বলেন, মেমারির স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা আঁচল। সারাবছর দুঃস্থদের জন্য কাজ করে। লকডাউনের শুরু থেকেই অসহায় নিরন্ন মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। তাদের এই কর্মকান্ডে যুক্ত হতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে হচ্ছে। হয়তো পথচলতি মানুষ এইসব ছবির উপর দিয়ে হেঁটে যাবেন কিংবা যানবাহন চলাচল করবে কিন্তু দূর থেকে তাদের চোখে যখন এই সচেতনতা মূলক ছবি ও লেখাগুলো চোখে পড়বে তখন তাদের মানস পটে ভেসে উঠবে পৃথিবীর অন্যান্যদেশের সাথে আমাদের দেশ তথা রাজ্যের করোনার ভয়াবহ পরিস্থিতির ছবি।

ফটোঃ আঁচল ওয়াটঅ্যাপ গ্রুপ

Related posts

করোনা সংক্রমণে মৃত্যু বেড়ে ৬, আক্রান্ত- বাংলায় মারণ ভাইরাসের উদ্বেগ বেড়েই চলেছে

E Zero Point

সাত সকালে মেমারি শহরে পুলিশের নজরদারী

E Zero Point

মেমারিতেও ন’টা থেকে ৯ মিনিট, মোদির ডাকে জ্বললো প্রদীপ….বাজলো শঙ্খও, সঙ্গে শব্দ বাজিও…এরপর কি হবে?

E Zero Point

মতামত দিন