15/04/2026 : 12:34 PM
আমার বাংলাউত্তর ২৪ পরগনা

জাতপাতের ভেদাভেদের উর্ধ্বে হিন্দু ও মুসলিমের সম্প্রীতি সুর হরিনাম সেবায়

জিরো পয়েন্ট নিউজ–শ‍্যাম বিশ্বাস, উওর ২৪ পরগনা, ৫ মে ২০২৩:


উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট জেলার স্বরূপনগর ব্লকের তেপুল মির্জাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের দক্ষিণ মির্জাপুর গ্রামে হরিনাম সেবা নাম যজ্ঞ অনুষ্ঠানের আয়োজন করলো মুসলিম সম্প্রদায় মানুষ। চার দিন ধরে চলবে এই নাম যজ্ঞ। যেন এ এক বিভেদের মাঝে দেখো ভারত মহান। আর তার সব ধর্মের সংস্কৃতির পীঠ স্থান বাংলা আরো একবার প্রমাণিত হলো। চারদিন ধরে নাম যজ্ঞ সেবায় মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ। রাজেশ আলী মন্ডল, আলী হোসেন মন্ডল, ইনসান মন্ডল, কার্তিক মন্ডল ও তৃপ্তি মন্ডলরা হরিনাম সভায় মিলেমিশে একাকার। কখনো একসঙ্গে হিন্দু ধর্ম অবলম্বী মানুষেরা একি সঙ্গে এক ই পাত্রে খাওয়া আবার কখনো তাদের কাজে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়া। দিন ও রাত্রে যেসব ভক্তরা আসছেন হরি কীর্তন শুনতে তাদেরকে একদিকে ঠান্ডা পানীয় অন্যদিকে নিজেরদের হাতে তৈরি করা চা, বিস্কুট পরিষেবা দিচ্ছেন সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। এই ধরনের উদ্যোগ যে সম্প্রীতির এক মেলবন্ধন তৈরি করবে তা বলা বাহুল্য।

সম্প্রতিকালে স্বরূপনগরের চারঘাটে ঈদের প্রাক্কালে দরগা তলা চড়ক মেলা উদ্বোধন করতে গিয়ে ধর্মীয় বিভাজন উসকে দিয়ে রীতিমতো পুলিশকে হুমকি দিয়েছিল কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর। জাতপাতের ধর্মীয় বিভাজনকে নস্যাৎ করে উভয় সম্প্রদায়ের মানুষ আরো একবার প্রমাণ করে দিল এটা বাংলার সংস্কৃতি কৃষ্টি সম্প্রীতির জায়গা। এখানে ধর্মের কোন বিভাজন কেউ করতে আসলে তা সাধারণ মানুষ প্রতিহত করবে। চার দিন ধরে চলা নাম যজ্ঞে মুসলিমের হাতে তৈরি করার ঠান্ডা পানীয়, চা, বিস্কুট পরিষেবা পেয়ে রীতিমতো খুশি হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ। তারা জানাচ্ছেন যেভাবে তারা এগিয়ে এসেছে ধর্মের ভেদাভেদ ভুলে মানব সেবাই মূল ধর্ম, আমরা যেমন ঈদের অনুষ্ঠানে আনন্দে মেতে উঠি। তেমনি মুসলিম মায়েরাই এগিয়েছে, আমাদের ধর্মীয় অনুষ্ঠানকে সার্থক রূপ দিতে।

Related posts

আইআইটি খড়গপুর করোনার র‌্যাপিড টেস্টের জন্য নতুন যন্ত্র আবিষ্কার করল

E Zero Point

পঞ্চায়েতে কোনোভাবেই গাছ কাটার অনুমোদন দেওয়া যাবে নাঃ বন ও ভূমি কর্মাধ্যক্ষ

E Zero Point

পূর্ব বর্ধমানের সাথীর নাচের তালে মাতল গোটা দেশ

E Zero Point

মতামত দিন