27/02/2026 : 2:25 AM
অন্যান্য

করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে প্রকৃত যোদ্ধারা মাঠে থেকে পরিষেবা দিচ্ছেন

বিশেষ প্রতিবেদনঃ আজ যে অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে তার মধ্যে অন্যতম একটি আশার আলো যে আমাদের খাদ্য সুরক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত রয়েছে। সমগ্র ভারতবর্ষে অসংখ্য কৃষক এবং কৃষি শ্রমিক সকল প্রতিকূলতার মধ্যেও  লড়াই করে ঘাম ঝরিয়ে পরিশ্রম করছে। তাদের নীরব প্রচেষ্টা ও কেন্দ্রীয় এবং রাজ্য সরকারগুলির সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণের ফলে ফসল কাটার কাজ ঠিক ভাবে চলছে। এমনকি গ্রীষ্মের ফসল ফলানো  অব্যাহত রাখতে বীজ বপনেও কোনও বাধা হচ্ছে না।

কোভিড-১৯ সংক্রমনের মধ্যে কৃষিকাজ সুষ্ঠুভাবে পরিচালন নিশ্চিত করতেস্বরাষ্ট্র মন্ত্রক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। সময়মতো পদক্ষেপ গ্রহণের ফলে সুফলও পাওয়া গেছে। কৃষকদের সুরক্ষার জন্য এবং মাঠে কাজ  পরিচালনার সময় সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার বিষয়টিকেও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।

রবি ফসলের মধ্যে, দেশে ৩১০ লক্ষ হেক্টর জমিতে বপন করা মোট শস্যের ইতিমধ্যে ৬৭% ফসল সংগ্রহ করা হয়েছে। রাজ্য অনুসারে ফসল সংগ্রহের শীর্ষে রয়েছে  হরিয়ানা,পাজ্ঞাব।

১৬১ লক্ষ হেক্টর জমিতে ডাল শস্য বপনের মধ্যে, ছোলা, মসুর, মুগ এবং মটর ডাল সংগ্রহের কাজ শেষ হয়েছে। মোট ৪৫.২৯ লক্ষ হেক্টর জমিতে আখ চাষের মধ্যে মহারাষ্ট্র, কর্ণাটক, গুজরাট, অন্ধ্র প্রদেশ, তেলেঙ্গানা এবং পাঞ্জাবে আখ সংগ্রহের কাজ শেষ হয়েছে। তামিলনাড়ু, বিহার, হরিয়ানা এবং উত্তরাখণ্ড রাজ্যে ৯২-৯৮% ফসল সংগ্রহের কাজ  শেষ হয়েছে।

অন্ধ্র প্রদেশ, আসাম, ছত্তিশগড়, গুজরাট, কর্ণাটক, কেরালা, ওড়িশা, তামিলনাড়ু, তেলেঙ্গানা, ত্রিপুরা এবং পশ্চিমবঙ্গে ২৮ লক্ষ হেক্টর জমিতে বপন করা রবি ফসলের প্রথম পর্যায়ে ধান কাটার শেষ হয়েছে।

গত বছরের তুলনায় দেশে গ্রীষ্মকালীন কৃষি বপনের পরিমাণ ১৪% বেশি। এমনকি   গত বছরের তুলনায় এ বছর মৌসুমী বৃষ্টিপাত ১৪% বেশির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। এখন পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গ, তেলঙ্গানা, ওড়িশা, আসাম, গুজরাট, কর্ণাটক, ছত্তিসগড়, তামিলনাড়ু, বিহার, মহারাষ্ট্র, মধ্য প্রদেশ এবং কেরালায় প্রায় ৩৩ লক্ষ হেক্টর জমিতে গ্রীষ্মকালীন ধান শস্য  বপন করা হয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গ, কর্ণাটক, গুজরাট, উত্তরপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, তামিলনাড়ু, তেলেঙ্গানা, ছত্তিসগড়, মধ্য প্রদেশ, পাঞ্জাব এবং বিহার রাজ্যে প্রায় ৫ লক্ষ হেক্টর জমিতে  তৈলবীজ বপন করা হয়েছে। পাট বপনের কাজও পশ্চিমবঙ্গে শুরু হয়েছে ।

গ্রীষ্মের এই ফসল কৃষকদের  অতিরিক্ত আয়ের ব্যবস্থা করবে।  রাবি ও খরিফের শস্য চাষ প্রচুর কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে।  গ্রীষ্মের ফসল বিশেষত ডাল শস্য চাষের মাধ্যমে মাটির স্বাস্থ্যও উন্নত হয়।

তামিলনাড়ু, উত্তরপ্রদেশ, পশ্চিমবঙ্গ, গুজরাট, ছত্তিশগড়, বিহার, পাঞ্জাব, কর্ণাটক, মহারাষ্ট্র, মধ্য প্রদেশ, ঝাড়খণ্ড ও তেলঙ্গানা রাজ্যে প্রায় ৫০ লক্ষ হেক্টর জমিতে  ডাল শস্য বপন করা হয়েছে।

Related posts

করোনা মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী ত্রাণ তহবিলে দশ কোটি টাকা অনুদান সৎসঙ্গ আচার্যদেবের

E Zero Point

প্রচেষ্টা, রেশন, করোনা নিয়ে মেমারিতে সিপিআইএম-এর ডেপুটেশন

E Zero Point

স্বস্তির খবর মধ্যবিত্তদেরঃ গ্যাসের দাম কমল একলাফে অনেকটাই!

E Zero Point

মতামত দিন