04/10/2022 : 2:30 AM
BREAKING NEWS
আমার বাংলা

কলেজ কর্তৃপক্ষের গাফিলতির শিকার কিছু ছাত্র ছাত্রী

জিরো পয়েন্ট নিউজ – জ্যোতি প্রকাশ মুখার্জ্জী, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২১:


ভুল বা দোষ কার – কলেজ কর্তৃপক্ষ না বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের? সেটা পরে বিবেচ্য। আপাতত কোনো এক কর্তৃপক্ষের চরম গাফিলতির জন্য কার্যত একটা বছর নষ্ট হতে চলেছে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্গত হুগলির একটি কলেজের বেশ কয়েকজন মেধাবী ছাত্র ছাত্রীর।

জানা যাচ্ছে করোনা আবহে গত বছর যেটুকু পঠন পাঠন হয়েছিল সবই অনলাইনে। এমনকি পরীক্ষাও হয় অনলাইনে। চতুর্থ সেমিষ্টারের অনার্স পেপারের পরীক্ষার সঙ্গে সঙ্গে পাস কোর্সের বিষয়গুলির ও টিউটোরিয়াল বা অ্যাসাইনমেন্টের পরীক্ষা হয়। যথারীতি নিয়ম মেনে ছাত্র ছাত্রীরা কলেজ কর্তৃপক্ষের নির্দেশ মত মেলের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট বিষয়ের ভারপ্রাপ্ত শিক্ষক বা শিক্ষিকার কাছে উত্তর পত্রগুলি পাঠিয়েও দেয়। কিন্তু চতুর্থ সেমিষ্টারের ফল বের হওয়ার সময় দেখা যায় কিছু ছাত্র ছাত্রীকে টিউটোরিয়ালে অনুপস্থিত দেখানো হয়েছে। কলেজ কর্তৃপক্ষের পরামর্শ মেনে তারা অধ্যক্ষের কাছে আবেদন করে এবং কলেজ কর্তৃপক্ষ সেগুলি বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠালে কয়েকজনের ফলাফল সংশোধিত হলেও বাকিদের অনুপস্থিত দেখানো হয়। আতঙ্কিত ছাত্র ছাত্রীরা ২০২১ সালে পুনরায় অনুপস্থিত দেখানো টিউটোরিয়াল বিষয়ের পরীক্ষা দেয়। সদ্য ষষ্ঠ সেমিষ্টারের ফল বের হলেও তাদের চতুর্থ সেমিষ্টারের একটা বিষয়ের টিউটোরিয়ালের ফল এখনো পায়নি। এদিকে অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয় স্নাতকোত্তর স্তরে ভর্তির বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। তাদের আশঙ্কা নির্দিষ্ট সময়ে পরীক্ষার ফল হাতে না পেলে তাদের পক্ষে স্নাতকোত্তর স্তরে ভর্তির জন্য আবেদন করা সম্ভব হবেনা।

জনৈক ভুক্তভোগী ছাত্রীর বক্তব্য – পরীক্ষা দেওয়া সত্ত্বেও (তার প্রমাণ তার কাছে আছে) কেন তাকে অনুপস্থিত দেখানো হবে? একজনের ভুলের শিকার কেনো তাদের হতে হবে?

ঘটনার কথা শুনে এবং উপস্থিতি ও পরীক্ষার খাতার আপলোডের প্রমাণ দেখে জনৈক অভিভাবক ক্ষুব্ধ ভাবে বললেন- গাফিলতির দায়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষিকাকে সাসপেন্ড করা উচিত। তাছাড়া কলেজ কর্তৃপক্ষেরও আরও পেশাদারিত্ব দেখানো উচিত ছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ে নম্বর পাঠানোর সময় টিউটোরিয়ালের মত বিষয়ে একাধিক ছাত্র ছাত্রীকে অনুপস্থিত দেখে অবশ্যই তাদের বিষয়টি নিয়ে খোঁজ নিতে হতো। অনলাইনে পড়ানোর সময় প্রায় সমস্ত কলেজ বিষয় ভিত্তিক হোয়াটস অ্যাপ গ্রুপ করেছে। সুতরাং যোগাযোগ করাটা কোনো সমস্যা ছিলনা।

সংশ্লিষ্ট কলেজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা শুধু শুকনো সহানুভূতি প্রকাশ করেছে, কিন্তু কোনো দায়িত্ব নেয়নি। বিষয়টি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপর ছেড়ে দিয়েছে। এখন ভুক্তভোগী ছাত্র ছাত্রীদের ভাগ্য নির্ভর করছে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপর। ছাত্র ছাত্রীদের ভবিষ্যতের কথা ভেবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কি তৎপরতা দেখাবে?



Related posts

বিজেপির মেমারি থানা ঘেরাও

E Zero Point

যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু

E Zero Point

৭৪ তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সিপিআইএম-এর সংবিধান বাঁচও ও দেশ বাঁচাও কর্মসূচী মেমারিতে

E Zero Point

মতামত দিন