জিরো পয়েন্ট নিউজ, মেমারি, ৯ জানুয়ারি ২০২৫ :
১৯৬২ সাল ভারত চীন যুদ্ধের পরিপ্রেক্ষিতে তৎকালীন ভারত সরকার এর অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে গোল্ডবন্ড চালু করা হয়। তারপর ১৯৬৩ সালের ৯ ই জানুয়ারি ভারতের তৎকালীন অর্থমন্ত্রী মোরারজি দেশাই সারা দেশে স্বর্ণনিয়ন্ত্রন আইন চালু করেন। তাতে সোনার গহনা তৈরী করা ক্রয় ও বিক্রয় সম্পুর্ন নিষিদ্ধ করা হয় এবং দোষীদের বিরুদ্ধে ভারত রক্ষা আইন প্রয়োগ করে মামলা দায়ের করা হয়। এই পরিস্থিতিতে ১৯৬৩ সালের এপ্রিল মে মাস থেকে ভারতব্যাপী স্বর্নশীল্পীরা গন আন্দোলন শুরু করেন।
২৬৯ জন স্বর্নশীল্পী অ্যাসিড খেয়ে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেন। পরবর্তী কালে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কারণে সরকার পিছু হটতে বাধ্য হয় এবং ১৯৬৮সালে কালা কানুন শিথিল করে ১৪ ক্যারেট সোনার কাজ করার অনুমতি দেয়া হয়।ক্রমশ তা ২২ ক্যারেট রুপান্তরিত হয়। সুদীর্ঘকাল আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ফলে ১৯৯০ সালের ১লা জুন তৎকালীন অর্থমন্ত্রী মধু দন্ডবতে স্বর্ননিয়ন্ত্রন আইন প্রত্যাহার করে নেন।সেই কারণে আমাদের কাছে ৯ ই জানুয়ারি কালা দিবস বা শহীদ দিবস।
বৃহস্পতিবার বঙ্গীয় স্বর্ণশিল্পী সমিতি মেমারি শাখার সদস্যরা সেই কাল দিবসকে স্মরণ করলো। পূর্ব বর্ধমান জেলার বানেশ্বরী মাঠে এদিন সকালে ২৬৯ জন শহীদ স্বর্নশীল্পীদের স্মরণ করে এক মিনিট নীরাবতা পালন করা হয়। এছাড়াও এদিন মেমারি এলাকার স্বর্ণশিল্পী ও ব্যবসায়ীদের নিয়ে একটি ৮ দলীয় সৌহার্দ্যমূলক ক্রিকেট ম্যাচের আয়োজন করা হয়।



