জিরো পয়েন্ট বিশেষ প্রতিবেদন, প্রসেনজিৎ চক্রবর্তী, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ :
ভোর বেলা মা এসে কড়া নেড়ে গেল উঠে পড় শুরু হয়ে যাবে…ও দিকে বাবার গলার আওয়াজ পেয়ে লক্ষ্মী ,বুধি গলা ছেড়ে হাম্বা হাম্বা করে আমাদের জানান দিলো এবার ওঠার সময় হয়েছে…আস্তে আস্তে আমরা পঞ্চ পাণ্ডব উঠে পড়লাম।যদিও বড়দা কে কিরে উঠলি উঠলি করে ঠেলে তোলার দায়িত্ব টা আমার ওপরই ছিল…এর মধ্যে মা ঠাকুর ঘরে গিয়ে ধুনো দিত।গোটা বাড়ি ধুনোর গন্ধে মাতোয়ারা হয়ে উঠতো।সে দিন কাকভোরে রেডিও থেকে বর্ষিত হতো মঙ্গলধ্বনি শঙ্খ…তিনবার।আমাদের টালির চালের ঘর পেরিয়ে সেই শঙ্খের আওয়াজ সবুজ মাঠে ধ্বনিত হতো।শরতের ভোরে শিশিরভেজা বাতাস মেখে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র শুরু করতেন, ‘আশ্বিনের শারদপ্রাতে বেজে উঠেছে আলোকমঞ্জরী।’ অমনি দুলে উঠত কাশবন। নীল আকাশে পেঁজা তুলোর মেঘ আর ভোরের শিশিরমাখা শিউলি খবর পাঠিয়েছে— তিনি আসছেন। আমরা কর গুনতাম দুর্গাপুজো আসতে আর কত দিন বাকি। সহজ হিসেবটা হল ‘মহালয়ার’ সাত দিন পর পুজো। আর মেজদার কাছে ছিল ফাইনাল পরীক্ষার সাতদিন আগের করুন অবস্থা। ওই দিন থেকে ও রঙ তুলি নিয়ে বসে পড়তো ঠাকুর তৈরি করতে।আর কার্তিক গণেশ তৈরির ভার পড়তো নিতাই এর ওপর।বাড়িতে তখন বিশাল ব্যপার।







