জিরো পয়েন্ট নিউজ, মেমারি, আনোয়ার আলি আনসারী, ২৯ মে ২০২৬ঃ
একদা মা, মাটি, মানুষের সরকার তৃণমূল কংগ্রেসের নেতারা যে এই ভাবে গরীবের ঘাম ঝড়া পরিশ্রমের মূল্য কাটমানি হিসাবে তাঁদের পকেট ভরতো তা রাজ্যে পরিবর্তন না হলে প্রশাসন জানতেই পারতো না। আসলে অভিযোগ তখনও হয়েছিল কিন্তু তৃণমূল নেতাদের চোখ রাঙানিতে সেগুলো থানায় এসে পৌঁছাতো না। আর এখন বাংলায় ২৬ শে পরিবর্তন হওয়ার পর তৃণমূলের দুর্নীতিগ্রস্ত একাধিক নেতা গ্রেপ্তার হয়েছে। মানুষকে হুমকি দিয়ে টাকা আদায় থেকে শুরু করে মারধর এমনকি আবাস যোজনায় টাকা নেওয়ার অভিযোগে ছোট মাঝারি বড় বহু নেতা আজ জেলের ঘানি টানতে ব্যস্ত।
মেমারি বিধানসভাতে তোলাবাজি অভিযোগ বেশ কয়েকজন তৃণমূল নেতা গ্রেপ্তার হয়েছে ইতিমধ্যে। এবার নতুন সংযোজন মেমারি ১ পঞ্চায়েত সমিতির অন্তর্গত দূর্গাপুর অঞ্চলের আলিপুর গ্রামের তৃণমূল সদস্য অজয় চন্দ। ওরফে সল্টু। যাঁকে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে মেমারি থানার পুলিশ বৃহস্পতিবার রাতে গ্রেপ্তার করে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার প্রকল্পে দেবীপুরের আলিপুর রাজবাগান কলোনী নিবাসী রাম দে একটি ঘর পেয়েছিলেন। আর তার জন্যই তৃণমূল নেতা অজয় চন্দ ওরফে সল্টু ২০ হাজার টাকার কাটমানি নেন।
শুধু রাম দের কাছ থেকেই নয় এলাকার সুভাষ বৈদ্য, প্রহ্লাদ বনিকের কাছ থেকেও সরকারী ঘরেপ জন্য কাটমানি নিয়েছেন অজয় চন্দ এমনই অভিযোগ। রাজ্যে এখন বিজেপি সরকার ভয় আউট, ভরসা ইন তাই অভিযোগকারী রাম দে সেই সময় দেওয়া ২০ হাজার টাকা বর্তমানে তৃৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য অজয় চন্দের কাছে চাইতে গেলে, অজয় চন্দ ওরফে সল্টু রাম দেকে কটুক্তি ও প্রাণনাশের হুমকি দেয়।
আর সেই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে শুক্রবার দুপুরে ধৃত অজয় চন্দকে বর্ধমান আদালতে পেশ করে মেমারি থানার পুলিশ। এদিন বিকালে মহামান্য বিচারক পুলিশি তদন্তের স্বার্থে ২ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেয় । যদিও এই বিষয়ে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ধৃত তৃণমূল সদস্য অজয় চন্দ।



