28/05/2026 : 1:29 PM
আমার বাংলাকালনাদক্ষিণ বঙ্গপূর্ব বর্ধমান

পুলিশ প্রশাসনের বিরুদ্ধে আইনজীবীর অভিযোগ

আলেক শেখ, কালনা, ২২ জুলাইঃ


মুখ্যমন্ত্রীর নিকট পুলিশ প্রশাসনের বিরুদ্ধে চরম গাফিলতির অভিযোগ জানালেন এক কালনা আদালতের  আইনজীবী।   বুধবার এই অভিযোগের  কপি পাঠানো হয়  বিভিন্ন সরকারি আধিকারিকের নিকট বলে আইনজীবী  জানান।  কালনা আদালতের বার এসোসিয়েশনের পরিচালন কমিটির অন্যতম সদস্য পার্থসারথী কর জানান– মন্তেশ্বর থানার জামনা গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত বরণডালা গ্রামে তাঁর পৈতৃক বাড়ি ও জমিজায়গা আছে। সেই সম্পত্তি ভাগাভাগি  নিয়ে শরিকদের  সাথে তাঁর বিবাদ চলছে।  এমনকি  এই নিয়ে বেশ কয়েকটি মামলাও আদালতে বিচারাধীন।  আদালতে রায় যা হবার হবে সেটাতো সকলকেই মানতে হবে। কিন্তু  তার আগে আমার বিবাদীরা  একটার পর একটা ঘটনা ঘটিয়ে চলেছে,  কিন্তু সেই সব ঘটনার অভিযোগ জানিয়েও পুলিশ প্রশাসন  নীরবের ভূমিকা পালন করছে।  কিছুদিন আগে বাড়িতে ঢুকে আমার মাকে শাররীক নির্যাতনের  পর রান্নাঘরে ঢুকিয়ে গ্যাসের সিলিন্ডারে আগুন লাগিয়ে হত্যার   চেষ্টা করা হয়। মন্তেশ্বর থানায় লিখিত অভিযোগ জানানোর পরও অভিযুক্তরা  নাকের ডগায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। সর্বশেষ ঘটনাটি ঘটে মঙ্গলবার তাদের বাড়ির কাজের মাসিকে গালিগালাজ করে বাড়ি  থেকে  তাড়িয়ে  দেওয়া হয়।   পার্থবাবু আরো জানান–কোন ব্যাপারে মন্তেশ্বর থানায় অভিযোগ জানালে তার কোন ফল পাওয়া যায় না। বরং তদন্ত হওয়ার আগেই   পুলিশ প্রশাসন থেকে ফাঁটা রেকর্ড বাজিয়ে দেওয়ার মতো শুনিয়ে দেওয়া হয় সব  মিথ্যা। মন্তেশ্বর থানার এক পুলিশ অফিসার এই অভিযোগ মানতেই চাননি।  তিনি জানান— অভিযোগ হলেই তদন্ত সাপেক্ষে তার যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়।  আর গতকাল বরণডালা গ্রামের বাড়িতে  একটি ঘটনা ঘটেছে। ওই বাড়ির মালিক হচ্ছেন– দুই ভাই। এই দুই ভাইয়ের বংশধরেরা থাকেন কালনা শহর ও বর্ধমানে। কালনা শহরে  যারা থাকেন— তারা বরণডালার বাড়িতে একজন কাজের মাসিকে রেখেছেন। মঙ্গলবার বর্ধমানের শরিকরা ওই বাড়িতে ঢুকতে গেলে কাজের মাসির সাথে কলহ বাঁধে। তারপরেই কাজের মাসি ওখান থেকে চলে যান। তবে  এখনো কোন অভিযোগ পায়নি, পেলে যথাযথ  ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Related posts

আইনী সচেতনতা শিবির মেমারিতে

E Zero Point

স্কুলে ফাইনাল পরীক্ষায় ২৫ নাম্বারের মধ্যে ২৬ নাম্বার পেল পড়ুয়া

E Zero Point

সাড়ে ৫ কোটি অর্থের ঋণ মামলার নিস্পত্তি

E Zero Point

মতামত দিন