26/02/2026 : 11:07 PM
আমার বাংলাদক্ষিণ বঙ্গনদীয়া

নবদ্বীপ স্টেশনে আজ বিভিন্ন বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা র ডেপুটেশন

জিরো পয়েন্ট নিউজ – লক্ষণ দেবনাথ, পূর্বস্থলী,  ২৩ সেপ্টেম্বর,  ২০২০:


“নবদ্বীপ-হেন গ্রাম ত্রিভুবনে নাই।
যহিঁ অবতীর্ণ হৈলা শ্রী চৈতন্য-গোসাই।।”

হ্যাঁ, ঠিক এই ভাবেই শ্রী বৃন্দাবন দাস ঠাকুর তার “শ্রী চৈতন্য ভাগবত” গ্রন্থে নবদ্বীপের বর্ণনা করেছেন। সমগ্র বিশ্ব থেকে কোটি কোটি ভক্তবৃন্দ প্রতি বছর এই স্থানটিতে আসেন ধামেশ্বর শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর জন্মস্থান পরিদর্শনে। কিছুদিন আগেই পশ্চিমবঙ্গ সরকার ভারত সরকার উভয়েই নবদ্বীপকে “হেরিটেজ সিটির” তকমা দেন।

কিন্তু নবদ্বীপ ধাম স্টেশনে শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর কোনো স্মৃতি মূর্তি বা লীলা স্মৃতির চিহ্ন নেই। তাই মা সিদ্ধেশ্বরী ক্লাব, হিউম্যানিটি পরিবার, ঋহান্সী ফাউন্ডেশন ইত্যাদি একাধিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও নবদ্বীপের আপামর জনসাধারণের পক্ষ থেকে আজ রেল কর্তৃপক্ষকে একটি দাবি জানিয়েছে যে নবদ্বীপ স্টেশন ও তার মুখ্য প্রবেশপথ টিকে শ্রী চৈতন্য জন্মস্থান মন্দিরের আদলে নবনির্মাণ করা হোক। এই উদ্যোগে বিশিষ্ট সমাজসেবী শ্রী জয়দেব সাহা, শ্রী দেবব্রত মোদক, শ্রী স্বপন আচার্য, বিশিষ্ট পশুপ্রেমী শ্রী চিরন্তন সরকার, রেলকর্মী শানু বাগ, এবং উল্লেখযোগ্য কবি ও সাহিত্যিক শ্রী তীর্থেন্দু গঙ্গোপাধ্যায় (ওরফে তীর্থ)।


যখন শ্রী চৈতন্য অনুরাগী ভক্তবৃন্দগণ নবদ্বীপ স্টেশনে পদার্পণ করা মাত্রই তাদের ধাম মহিমা অনুভূত হোক এবং তাদের নবদ্বীপ ভ্রমণের আগ্রহ ও বাসনা আরও দৃঢ় হোক। অনেকেই কলকাতা হতে আসার সময় কৃষ্ণনগর এর পথ ধরে মায়াপুর চলে যান এবং নবদ্বীপে পদার্পণ করেন না। তাই নবদ্বীপ স্টেশনটি শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর জন্মস্থান মন্দিরের আদলে সজ্জিত করলে সকলেই নবদ্বীপের গৌরব সম্পর্কে জ্ঞাত হবেন এবং আরও অনেক দর্শনার্থীদের আগমন ঘটবে নবদ্বীপ ধামে। এটিকে কেন্দ্র করে একাধিক দোকানপাট, ব্যাবসা – বানিজ্য গড়ে উঠবে এবং টোটো চালক, অটো চালক, ও রিক্সা চালকেরা বিশেষ ভাবে উপকৃত হবে তা বলাবাহুল্য।
নবদ্বীপ স্টেশন ম্যানেজার, ট্রাফিক ইন্সপেক্টর, ও এসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ারকে এই আর্জি নিয়ে একটি ডেপুটেশন জমা দেওয়া হল ।

Related posts

যোগেশ মাইমে হয়ে গেল প্রগতি বাংলা ১৬ তম বার্ষিক উৎসব

E Zero Point

১৪ দিনের মাথায় চার্জশিট মিমি মামলায়

E Zero Point

মেমারি কৃষ্ণপুরে বাস দুর্ঘটনা

E Zero Point

মতামত দিন