জিরো পয়েন্ট নিউজ – আমিরুল ইসলাম, ভাতার, ২৩ অক্টোবর, ২০২০:
অভাবের তাড়নায় মাঠে ঘাস কাটতে গিয়েছিল ১১ বছরের এক আদিবাসী শিশু, নাম লক্ষীরাম মুর্মু। সেই ঘাস কুড়ি টাকা দরে বিক্রি করতো গ্রামে। সারাদিনের ৪ থেকে ৫ বস্তা খাস কাটত লক্ষীরাম মুর্মু। ৮০ থেকে ১০০ টাকা হতো ঘাস বিক্রয় করে, সেই টাকা তুলে দিতো মায়ের হাতে।
প্রতিদিনের মত গত মঙ্গলবার লক্ষীরাম মুর্মু মাঠে গিয়েছিল ঘাস কাটতে ঘাস কাটা শেষ হয়ে যখন বাড়ি ফিরছিল তখন তার পায়ে ইলেকট্রিক তার জুড়িয়ে যায় সে সঙ্গে সঙ্গে পড়ে যায় জমিতে। তার সঙ্গে যারা ঘাস কাটতে গিয়েছিল তারা বিষয়টি লক্ষ্য করলে তড়িঘড়ি গ্রামের খবর দেয় ।গ্রামের মানুষ যখন যায় তখন লক্ষীরাম আর বেঁচে নেই। এই খবর গ্রামে আসতেই গ্রামের মানুষ কান্নায় ভেঙে পড়ে।
মাঠের মধ্যে যে সমস্ত সাবমারসিবল রয়েছে তাদের অসাবধানতার জন্যই এই ধরনের ঘটনা ঘটেছে বলে গ্রামের লোকেদের দাবি।
পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে এসেছেন ময়নাতদন্তের জন্য।
