জিরো পয়েন্ট নিউজ, ১৯ জুন ২০২১:
প্রয়াত হলেন সুন্দরবনের গোসাবা বিধানসভার তৃণমূল বিধায়ক জয়ন্ত নস্কর। তিন বারের দাপুটে বিধায়ক জয়ন্তবাবু বয়জনিত অসুস্থতার কারণে কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। একুশের নির্বাচনেও জয়লাভ করেছিলেন। তার পর তিনি করোনায় সংক্রমিত হন। বেশ কিছু দিন এম আর বাঙুর হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। তার পর বাইপাসের ধারে এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে। সেখানে প্রায় এক মাসের বেশি সময় ধরে চিকিৎসাধীন ছিলেন। সেখানেই শনিবার রাত আটটা কুড়ি মিনিট নাগাদ মারা যান গোসাবার বিধায়ক। করোনা থেকে সেরে উঠলেও ফুসফুসে সংক্রমণ জাঁকিয়ে বসেছিল। শেষ পর্যন্ত শনিবার মৃত্যু হল বিধায়কের।
তাঁর মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
জয়ন্তবাবু ১৮৮৭ সাল থেকে ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তবে, কংগ্রেসের টিকিটে লড়াই করে ১৮৮৭-তে বামেদের কাছে পরাস্ত হতে হয় তাঁকে। পরে তৃণমূলে যোগ দিয়ে ২০১১ সালে জয় পান। এরপর ২০১৬ সালে অবশ্য জোড়া-ফুল প্রার্থী হিসাবে গোসাবায় জয়যুক্ত হন তিনি। তার পর একুশেও জয়লাভ করেন। একদা বামেদের শক্ত ঘাঁটি হিসাবে পরিচিত সুন্দরবনের গোসাবা বিধানসভা এলাকায় ২০১১ সালের পর থেকেই পরিবর্তনের হাওয়া বইয়েছেন তিনিই। পর পর তিনবার এই কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছেন তৃণমূলের পোড় খাওয়া নেতা।
একুশের ভোটে তাঁকে কড়া চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিতে প্রাক্তন তৃণমূল নেতা বরুন ওরফে চিত্ত প্রামাণিককে গোসাবা কেন্দ্রে প্রার্থী করে বিজেপি। তারপর গোসাবায় সভা করে গিয়েছেন খোদ অমিত শাহ। কিন্তু তার প্রভাব ভোটবাক্সে পড়েনি। ২৩ হাজারের বেশি ভোটে বিজেপি প্রার্থীকে হারান জয়ন্ত নস্কর।



