26/02/2026 : 2:45 PM
আমার বাংলাদক্ষিণ বঙ্গপূর্ব বর্ধমানমেমারি

মেমারি দেবীপুর অঞ্চলে খেলা হবে দিবস পালিত

জিরো পয়েন্ট নিউজ ডেস্ক, মেমারি,  ১৮ অগাষ্ট ২০২১:


সারা রাজ্যের সঙ্গে সফল ভাবে দেবীপুর অঞ্চলেও ১৬ ই আগস্ট আট টি ফুটবল দল নিয়ে গ্রামদেবীপুরে দেবীপুর অঞ্চল সংলগ্ন ফুটবল মাঠে দেবীপুর অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্বের পরিচালনায় খেলাটি সম্পন্ন হয়। উপস্থিত ছিলেন অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেস  সভাপতি পার্থ সিদ্ধান্ত, প্রধান সঞ্জয় ক্ষেত্রপাল, উপপ্রধান নাসিরা বিবি ,অন্যান্য পঞ্চায়েত সদস্য, সদস্যা সহ সমস্ত অঞ্চল নেতৃত্ব। এখানে খেলায় ফাইনালে ওঠে “পিরেগ্রাম আদিবাসী মা মনসা ফুটবল ক্লাব” ও “পুণ্যগ্রাম- ধর্মশিমলা প্রগতি সংঘ”।

ফাইনালে পুণ্যগ্রাম ধর্মশিমলা প্রগতি সংঘ এক শূন্য গোলে জয়লাভ করে। ফাইনালে প্রগতি সংঘের পক্ষে গোল করেন সুজিত ঘরুই।ম্যান অফ দি ম্যাচ প্রগতি সংঘের ডিফেন্ডার নয়ন টুডু,  দিনের বেস্ট স্ট্রাইকার পীরেগ্রাম ফুটবল দলের রাজেশ হাঁসদা, বেস্ট গোলকিপার প্রগতি সংঘের সোমনাথ সরেন এবং প্রগতি সংঘেরই অজিত সরেন দিনের পরিচ্ছন্ন খেলোয়াড় নির্বাচিত হন।

এদিকে ফাইনাল খেলা চলাকালীন এসে উপস্থিত হন মেমারি র বিধায়ক মধুসূদন ভট্টাচার্য।তাঁকে পুষ্প স্তবক দিয়ে স্বাগত জানান তৃণমূল অঞ্চল সভাপতি পার্থ সিদ্ধান্ত । জিরো পয়েন্ট কে তিনি বলেন,”খেলা দিবস উপলক্ষে সারা পশ্চিমবঙ্গের যুবকরা আজ ফুটছে। মাননীয় মুখমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির নির্দেশ ছিল সারা পশ্চিমবঙ্গেই খেলা পরিচালনা করতে হবে।সেই ভাবেই আজ সর্বত্র খেলা চলছে। আমাদের কর্মীদের মধ্যে ও সাধারণ মানুষ ও যুবক দের মধ্যে যে উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে তা দিয়ে সমাজে দুর্নীতিকে তুলে ফেলে নবীন প্রবীণদের নিয়ে, স্বচ্ছ ভাবমূর্তির লোকদের নিয়ে সমাজকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।আগামীদিনে যারা খেলছে এই সমস্ত যুবকদের নিয়ে মুখমন্ত্রীর অনেক পরিকল্পনা আছে।“ এক প্রশ্নের উত্তরে বলেন, মেমারি এলাকার খেলার মাঠগুলির উন্নতির দিকে তিনি নজর দেবেন।কিছুক্ষন থেকে তিনি অন্য মাঠের উদ্দেশে রওনা দেন।

তবে খেলার শেষ অর্ধে পীরে গ্রাম দলের একজন লাল কার্ড দেখেন যেটাকে পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে উভয় দলের অধিনায়কই খেলার অঙ্গ বলে মেনে নেন। বিজয়ী দলের অধিনায়ক ও ক্লাব সভাপতির হাতে ট্রফি তুলে দিয়ে তৃণমূল অঞ্চল সভাপতি পার্থ সিদ্ধান্ত মহাশয় তাদের প্রতিক্রিয়া নেন।  অধিনায়ক অজিত সরেন বলেন উভয় দলই ভালো খেলেছে, খেলায় হার জিৎ তো হবেই।

ক্লাব সভাপতি সেখ নূরুল হুদাকে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষিত এই খেলার গুরুত্ব সম্পর্কে তাঁর অভিমত জানাতে বললে তিনি বলেন ,মুখ্যমন্ত্রী বা পশ্চিমবঙ্গ সরকার সারা রাজ্য জুড়ে  এই খেলার যে পরিকল্পনা করেছেন তার কিছু পজিটিভ দিক তো রয়েছেই। খেলায় পারে মানুষে মানুষে যে বিদ্বেষ তা সে সামাজিক, রাজনৈতিক বা জাতিগত যাইহোক না কেন তা দূর করতে,।খেলার মাঠে যখন বন্ধুত্বপূর্ণ লড়াই হয় তখন সবাই এসবের ঊর্ধে উঠে যায় আর এর মাধ্যম হচ্ছে খেলা ।তাই মাঠে খেলাধুলার পরিবেশ কে বজায় রাখতে যখন একটি সরকার এই খেলাকে গুরুত্ব দেয় তখন তার জন্য মুখ্যমন্ত্রী বা সরকারের ধন্যবাদ প্রাপ্য বলে একজন ক্লাব সভাপতি হিসাবে আমি মনে করি।

বিধায়ক কে তিনি কি বলতে চান তার উত্তরে তিনি বলেন, মাননীয় বিধায়ক এই দিনের সুযোগে যেমন গোটা বিধান সভা এলাকা ঘুরে মানুষজনের অংশগ্রহণ দেখার  সুযোগ পেলেন তেমনি একই সঙ্গে আমাদের খেলার মাঠ গুলি দেখার সুযোগ পেলেন।আশা করি বেশিরভাগ মাঠগুলির অবস্থা যে ভালো নেই তা তাঁর নজরে থাকবে এবং এগুলির পরিকাঠামো ও পরিবেশ উন্নতিতে তিন ব্যাবস্থা ও উদ্যোগ নেবেন যাতে সারাবছর যেন মাঠ গুলিতে খেলাধুলার চর্চা করা যায়।

Related posts

গণ উপনয়নের আয়োজন পূর্বস্থলীতে

E Zero Point

রাজ্য সরকারের লকডাউনে শুনশান মেমারি সোনাপট্টী

E Zero Point

যাত্রাপথে কালীকথা-ভয়ঙ্কর থেকে অভয়প্রদানকারী

E Zero Point

মতামত দিন