29/09/2022 : 12:47 PM
BREAKING NEWS
আমার বাংলাদক্ষিণ বঙ্গপূর্ব বর্ধমানমেমারি

চা চক্রের মাধ্যমে জনসংযোগঃ মেমারি শহরের সমস্যার সমাধান হবে কি ?

জিরো পয়েন্ট নিউজ ডেস্ক, এম.কে হিমু, মেমারি,  ১২ সেপ্টেম্বর ২০২১:


কেন্দ্র-রাজ্যের অম্লমধুর সম্পর্কের কথা আমাদের সকলেরই জানা। কখনো বিজেপি রাজ্যের তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে যে কেন্দ্রীয় প্রকল্পের নাম বদল করে রাজ্যে চলছে। অন্যদিকে তৃণমূল নেতারা অভিযোগ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মস্তিষ্কপ্রসূত প্রকল্পের নকল করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
রাজনীতিতে মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য নেতারা একে অপরকে টেক্কা দেওয়ার চেষ্টা করে।

ঠিক যেমন দিল্লির গদি দখলের জন্য সেই সময় নরেন্দ্র মোদীর চায় পে চর্চা বহুল চর্চিত ছিল। এবারের রাজ্য বিধান সভা নির্বাচনেও বিজেপির রাজ্য সভাপতি প্রতিদিন চায় পে চর্চা করতেন।

সেরকমই একটি পন্থা অবলম্বন করলেন সদ্যনিযুক্ত মেমারি শহর তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি স্বপন ঘোষাল। বর্তমানে মেমারি শহরের বিভিন্ন প্রান্তে চা চক্রে জনসংযোগের মাধ্যমে পৌর শহরের সমস্যা সংক্রান্ত অভিযোগগুলি তিনি শুনছেন এবং মেমারি পৌরসভার প্রশাসক ও বোর্ডের সদস্যদের কাছে প্রস্তাব রাখবেন তার দ্রুত সমাধানের জন্য।

ইতিমধ্যে মেমারি শহর তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি স্বপন ঘোষাল বামুনপাড়া মোড়, চকদীঘি মোড়, চেকপোষ্টে চা চক্রের মাধ্যমে রাজ্য সরকারের জনমুখী প্রকল্প যেমন তুলে ধরেছেন ঠিক তেমনই শুনছেন পৌরবাসীর সমস্যার কথা। রবিবার মেমারি পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ডের দুধপুকুর পাড়ে “চা চক্রে আলোচনা” সভার আয়োজন করা হয়েছিল। উক্ত সভায় সকল স্বপন ঘোষাল ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সকল তৃণমূল নেতৃত্ব, ওয়ার্ড সভাপতিরা।

কিন্তু প্রশ্ন এখানেই মেমারি শহরের সমস্যার সমাধান কি আদৌও হবে? একথা অনস্বীকার্য বাম আমলের পৌর শহর মেমারি এখন অনেকটাই সুসজ্জ্বিত – রাস্তার মোড়ে মোড়ে হাই মাস্ট লাইট থেকে নীল-সাদা আলোকস্তম্ভ শহরকে উজ্জ্বল করে রাখলেও এখনও বিভিন্ন ওয়ার্ডে জলনিকাশী ড্রেনের হাল খুবই খারাপ যার চিত্র ধরা পরে সামান্য বৃষ্টিতেই পাড়ার রাস্তাতে হাঁটু জল। মেমারি শহরে একটি উন্নতমানের স্টেডিয়াম থাকলেও বাচ্চাদের খেলার জন্য যে কয়েকটি পার্ক আছে তার অবস্থা খুবই শোচনীয়। মেমারি স্টেশন বাজারের যানজট হোক কিংবা রেলগেটের – শহরবাসীর ফ্লাইওভারের স্বপ্ন এখনও জেগে স্বপ্ন দেখার মতোই আজও মেমারিবাসী সঠিক কারণ বুঝতে পারলো না কেন ফ্লাইওভার হচ্ছেনা। হাসপাতালের কথা না হয় থাক- রুগীদের শুধু রেফার টু বর্ধমান লেখা কাগজ নেওয়ার জন্যই তো শুধু মেমারি গ্রামীন হাসপাতালে যেতে হয়।

মেমারি শহরের সমস্যা অনেক জানি একদিনে সম্ভব নয় কিছু সমস্যা আছে যা বাম আমলেই হোক কিংবা মা-মাটি-মানুষের সরকারের আমলেই তা তো জনগণের স্বার্থে সমাধানের চেষ্টা তো করতেই হবে। সামনে অপেক্ষা করছে পৌরসভা নির্বাচন, আর পাখির চোখ করে ঘুঁটি সাজাতে যেমন সব দল শুরু করেছে ঠিক তেমনই মেমারি পৌরবাসীও।



Related posts

কমিউনিস্ট আন্দোলনের পথিকৃৎ-এর স্মরণসভা মেমারি ও বর্ধমানে

E Zero Point

শাশুড়ির সাথে অশান্তি, মেমারির গৃহবধূ আত্মঘাতী

E Zero Point

গরীবের ডাক্তার “নৈহাটির বিধান রায়” প্রয়াত

E Zero Point

মতামত দিন