01/03/2026 : 11:36 PM
রবিবারের আড্ডাসাহিত্য

রবিবারের আড্ডা : ১ মার্চ ২০২৬

জিরো পয়েন্ট সাহিত্য আড্ডা

রবিবারের আড্ডা

————–১ মার্চ ২০২৬ রবিবার—————


|| ফিরে দেখা ||
“শুনহে হে মানুষ ভাই, সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই ”
– চন্ডিদাস

গল্পসল্প

লাল আবির

✒ শিলাবৃষ্টি

সাত রঙের আবির কিনেছে শুভ্রা। হাউসিং এ আসার পর এই প্রথম হোলি উৎসব। শুনেছে সে দারুণ ভাবে সেলিব্রেশন হয় হোলি এখানে। সকাল থেকেই শুরু হয়ে যায় খাওয়া দাওয়া। রঙ মাখা। কেউ বাদ থাকেনা। বিকেলে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
শুভ্রা একটা সাদা ঢাকাই পরে বেরিয়ে এলো। হাতে মাটির থালায় আবিরগুলো রঙ মিলিয়ে ঢেলেছে। আর কিছু পলাশ ফুল রেখেছে। কলেজের প্রফেসর হয়ে এসেছে এ শহরে শুভ্রা, সাথে বাবা আর মা। অনেক কিছুই তার অজানা এখনো।সবার সাথে পরিচয়ও হয়নি। তাই একটু কুণ্ঠা ছিলই। সবাই এসে মাঠটায় জড়ো হচ্ছে। শুভ্রা পরিচয় পর্ব সেরে বড়দের পায়ে আবির আর অন্যদের গালে আবির লাগিয়ে দিচ্ছে। হলুদ পাঞ্জাবি পরে এক ভদ্রলোক এগিয়ে এলেন। শুভ্রা কিছু বলার আগেই তিনি বলতে শুরু করলেন” আপনি শুভ্রা! বিবেকানন্দ কলেজে জিওগ্রাফির লেকচারার। ১৫/২০ দিন আগে এসেছেন আমাদের এখানে… আশা করি ঠিক বলেছি? ”
” আশ্চর্য! একদম ঠিক বলেছেন। কিন্ত কি করে জানলেন এত কিছু? আমি তো কাউকেই চিনিনা ”
“পরে হবে পরিচয়! আপনার মুখটা একদম পরিস্কার, প্রথম রঙটা আমিই লাগাই? পারমিসন দিচ্ছেন তো? ” শুভ্রা মৌন সম্মতি দেয়ার সাথে সাথে ভদ্রলোক শুভ্রার সাজানো থালা থেকে লাল আবিরটাই হাতের মুঠোয় নিয়ে শুভ্রার সারা কপাল থেকে মাথার সামনের চুলগুলো রাঙিয়ে দিল! সামান্য অপ্রস্তুত হয়ে পড়লেও শুভ্রা তা বুঝতে দিল না। সবুজ আবির নিয়ে ভদ্রলোকের গালে দিল।দূর থেকে এক ভদ্রমহিলা চেঁচিয়ে প্রশ্ন ছুঁড়ে দিলেন – আবির তুমি একা কেন ভাই? পিউ
কোথায়? ”
” পিউ আসেনি এবারেও কেয়াদি, ওর স্কিন যে নষ্ট হয়ে যাবে! ” বলেই আবির একটু বাঁকা হাসি হাসলো। শুভ্রা জানলো উনার নাম আবির।


সবাই মেতে উঠলো হোলিতে। ২/১জন শুভ্রার দিকে প্রশ্ন ছুঁড়ে দিল -“আর ইউ ম্যারেড? যে ভাবে লাল আবিরে মুখ মাথা ভর্তি কিছু বুঝতেই পারছিনা।”
শুভ্রার একটু অস্বস্তি হচ্ছিল চোখ পড়লো আবিরের দিকে, সেও তাকিয়ে আচ্ছে শুভ্রার দিকে। পাশে এসে আস্তে করে বলে গেল শুধু “সরি ম্যাডাম “।
শুভ্রা লক্ষ্য করলো স্বামীস্ত্রীরা জোড়ায় জোড়ায় হোলি উপভোগ করছে, কিন্তু আবির বাচ্চাদের নিয়েই মজা করে
চলেছে। উনার স্ত্রী এর ব্যাপারে কৌতূহল
আপাতত দমন করতে হলো। যাইহোক সবমিলে এবার হোলিটা দারুণ কাটলো শুভ্রার। সন্ধ্যায় বসন্ত উৎসবে অনেকেই অংশ নিল, শুভ্রা গাইল ” নীল দিগন্তে ওই ফুলের আগুন লাগলো।” সব শেষে অনেকের অনুরোধে আবির মাউথ অরগানে বাজালো ” বসন্ত এসে গেছে”।
তখনো ওর বউকে দেখতে পেলনা শুভ্রা।
রাতেও খাওয়া দাওয়ার খুব ভালো ব্যবস্থা ছিল। সবাই একটু নাচানাচিতে মাতলো রাতের দিকে। অনেকেই ড্রিংক করছিল। আবিরের হাতেও লাল জল।
একসময় আবির শুভ্রার দিকে এগিয়ে এসে বললো ” নম্বরটা দেবেন প্লিজ! ”
শুভ্রা চুপ করে শুনে গেল ” প্লিজ দিন না
নম্বরটা। ভয় পাবেন না। আমি মাতাল নই।ড্রিংক করিনা সচরাচর। মনের জ্বালায় আজ খাচ্ছি। আপনি আসলে কিছু জানেন না…”
শুভ্রা কনটাক্ট নম্বরটা দিল।
” বাই। গুড নাইট”
শুভ্রা কোনো কথা বলতেই পারলোনা।
ঘরে ফিরে লাল আবিরটা ঘষে ঘষে তুলতে চেষ্টা করলো কিন্তু সবটা উঠলো না

তখন অনেক রাত…
বেজে উঠলো ফোনটা।
“হ্যালো… কে বলছেন?”
” সব রঙ ওঠাতে পারলেন? খুব ভালো গেয়েছেন আপনি।কি হলো কথা বলবেন না। সরি বাবা এত রাতে ফোন করা অন্যায় হয়েছে।… বুঝে গেছি আপনি আমার বন্ধুত্ব স্বিকার করবেন না.. বাই..”
“কাল আসুন না কফি হাউসে বিকেলবেলায়, আপনার কথা শুনতে চাই!” বলেই ফোনটা রেখে দিল শুভ্রা।
এবার একটু ঘুমোতে হবে।চোখটা বড় ক্লান্ত।

কবিতার ডালি

আমি বসন্ত

✒সেখ আব্দুল মান্নান

বনানীর শাখে কচি পাতার হিল্লোল,
পুকুর পারে নেড়া নিমের ডালে ডালে
ঘন সবুজের দেদোল দোল,
পড়ন্ত বিকেলে দিঘির বুকে মৃদু হাওয়ায়
আলবোট কাটা ঢেউয়ের চূর্ণিতে
কাঁচ পোকাদের উন্মাদ বিলিকাটা,
মাঠের ধারে পিটুলির শীর্ণ শাখে
সবুজের সমারোহে হাওয়ার লুকোচুরি
পাতায় পাতায় মৃদু ছোঁয়ায় বাজছে বাঁশরি।

সকাল সন্ধ্যে কোকিলের তানে
দুর্নিবার আহ্বানে মাদকতা আনে,
তারা বছরভর নিরুদ্দেশে থেকে
প্রশান্তির পসরা সাজিয়ে
ফিরেছে লোকালয়ে জীবনটা নতুন করে
গুছিয়ে নেওয়ার তাগিদে ।

শীতের দৌরাত্মে জড়সড় চরাচরে
দানা বেঁধেছে নব জীবনের স্পন্দন,
আম শিমূলের ডালে পাতার কুটিরে
ক্ষুধার্ত ছানা পাখির বিদীর্ণ ডাকে
মা পাখি দু ঠোঁটে ফড়িং ধরে এনে
সন্তানের হা মুখে দিচ্ছে ঢুকিয়ে পরম যতনে।

এসব দেখে তোমরা বলো বসন্ত এসেছে
চরাচরে পাখপাখালির দ্বারে,
আমি বলি তোমাদের চেতনায় বাসন্তী
চামর বুলিয়েছি বলেই অনুভবে পড়েছে ধরা
গৈরিক বসনে প্রকৃতি পাগলপারা।

আমি এলেই চরাচরে খুলে যায়
প্রেমের বন্ধ দুয়ার হাটখোলা হয়ে,
কিশোর কিশোরীর মনে জাগে
প্রেমের নিষ্পাপ শিহরণ,
ফুলে ফুলে দানা বাঁধে
পিয়াসি ভ্রমরের গুঞ্জরণ,
প্রকৃতির বুকে নামে যৌবনের ঢল।

এ শহরে কেউ নেই

✒তন্ময় কবিরাজ

এ শহরে কেউ নেই
শুধু মৃতদেহের সঙ্গে শুয়ে থাকা সারাদিন –
নিথর শরীরে শব্দরা বোকা
কার অভিমানে ভালবাসা কাঁদছে আজ?

আরোও নির্জনতার লোভ হয় তোমার ?
এ শ্মশানের ঘরে আমাদের দেখা হয়
মণিকর্নিকার আগুনে ঝলসে গেছে বসন্ত
চাতক বর্ষার মধ্যে ফাটছে মাঠ
কবি ভুল করে ঝরা কাশে শরতের কথা লিখেছে।

এ শহর তোমার নয়
এ শহরে কঙ্কালে মন
শঙ্খ নেই,শক্তি নেই
চোরাবালির সুখে শুনি সুনীলের ডাক
এ শহরে স্মৃতি আঁকড়ে বেঁচে থাকা
ভ্রূণহীন স্রোতের মিছিলে আমি হাঁটছি –

আমাকে ঠিকানা বলে দাও পালাবার।

নষ্ট চাঁদের কানে কানে

✒উজ্জ্বল দাস

তুমি চাইলে তোমার জন্য সারা আকাশ লিখতে পারি
তুমি চাইলে তোমার জন্য বসন্তকে বলতে পারি-
“আসিস না আর যা চলে যা”।
তুমি ভাবছো এসব কেন বলছি হঠাৎ, গল্প -কথা
এটাও তুমি ভাবতে পারো যা বলছি তা, সব অযথা।

পৌষ মাঘের পরের ঋতু বায়না করে, মিষ্টি হাসে
বসন্ত যে, ভালোবাসে, মাঝ গগনে পুব আকাশে
এসব ভারী মিথ্যে কথা, সব ঋতুতে হয় না বুঝি ?
চলতে ফিরতে, রাত বিরেতে, ঘুম ভাঙলেও ফাগুন খুঁজি।

হাজার পাতা পড়েছিলাম কবির লেখা কাব্য দলিল
ছটফটে এক নদীর মতো, আগ বাড়িয়ে খুলছিল খিল।
ছুটতে… ছুটতে… খরস্রোতা, থামবে কিনা কেউ জানে না
আছড়ে পড়ে পাঁজর ঘেরা একটা বুকই সেই ঠিকানা।

জংলা পাহাড় বলতে পারে পথ কতটা উঁচু নিচু
নিঃশব্দে যে প্রেম আসে, বুঝিয়ে দেয় সে অনেক কিছু।
বলার থেকেও গভীর সে চোখ, তীক্ষ্ণ আঁচড়, কাজল কালো
হৃদয় ছেঁড়ে দুকূল ছাপায় আগুন রঙা প্রেমই ভালো।

মন মানে না খুব বেয়াদপ পলাশ শিমুল অশোক মিলে
প্লাবন আসে বাঁধও ভাঙে গোপন প্রেমের রসিদ নিলে।
চৌরাসিয়ার বাঁশী বাজে, ভায়োলিনের সুরও জানে
নদী –পাহাড় কানাকানি নষ্ট চাঁদের কানে কানে।

গল্পসল্প

ঘটিগরম ওয়ালার ঘন্টির আওয়াজ

✒ পার্থ দেবনাথ

সন্ধ্যাবেলায় ঘন্টার ওই আওয়াজ শুনলেই তুতুন ছুটে বারান্দায় দাঁড়িয়ে রাস্তার দিকে তাকিয়ে তার আসার প্রতীক্ষায় থাকবেই সপ্তাহের শনিবার দিনটিতে। তুতুন হল শুভঙ্করদার একমাত্র বছর আটেকের কন্যা। আর “তার” বলতে ঘটি গরমওয়ালা নিধির। ভালো নাম নিধির দাস। তুতুন আর নিধিরের মধ্যে সম্পর্কটা যেন আধুনিক কালের মিনি ও কাবুলিওয়ালার মতো হয়ে গেছে। দুজনের মধ্যে ক্রেতা বিক্রেতার সম্পর্কের থেকেও বড় হয়ে উঠেছে আত্মিক মেলবন্ধনের সম্পর্ক। ভালোবাসার নিবিড় সম্পর্ক। টিনের বাক্স কাঁধের একপাশে ঝুলিয়ে ঘন্টি বাজাতে বাজাতে সে আসবে তুতুন সোনার কাছে। ঘটি গরমওয়ালা নিধির বাবু ছোট্ট তুতুনকে তুতুন সোনা বলে ডাকে। টিনের বাক্স নামিয়ে সে লঙ্কা ছাড়া এক ঠোঙা গরম গরম ঘটি গরম চানাচুর দেবে, সাথে সাথে নিধির বাবু তার গাল একটু স্নেহের লালিত হাতে টিপে দেবেই আলতোভাবে। মিষ্টি হাসিতে দুজনেই একে অপরের মধ্যে আত্মিক সম্পর্কের ভাব বিনিময় করবে কিছু সময় ধরে। শেষে টা টা করে তুতুন বিদায় দেয় নিধির ঘটি গরম ওয়ালাকে। প্রায় এক বছর ধরে এই নাম হারা আত্মিক সম্পর্কের ঘটনা ক্রম চলছিল ভালোভাবেই কিন্তু এর হঠাৎ ছন্দপতন ঘটল। লক্ষ্য করা গেল তিন সপ্তাহ ধরে ঘটি গরমওয়ালা নিধির বাবুর অনুপস্থিতি। ফলত তুতুনও একটু মন মরা। বাড়ির লোকের কাছে আর না আসার কারণ জানতে চায় কিন্তু কেউ সদুত্তর দিতে পারে না তাকে। শুভঙ্কর দা মেয়ের দুঃখ লাঘব কিভাবে হবে সেই নিয়ে চিন্তিত। তিনি প্রতিদিনের মতন সকালে বাজারের সামনে কেষ্টদার চায়ের দোকানে আড্ডা মারতে যায়। ঘটনাচক্রে আড্ডায় তুতুনের সাথে ঘটি গরমওয়ালার কাহিনী বলতে কেষ্টদার কাছ থেকে নিধির ঘটি গরমওয়ালার না আসার কারণ এর ঘটনা জানতে পারে। ঘটনাটা ঘটেছিল দিন কুড়ি আগে, পৌষের কনকনে শীতের রাতে নিধির বাবু শান্তিপুর গামী ট্রেন ধরার তাড়ায় দ্রুতপদে চলছিলেন, হঠাৎ কেষ্টদার দোকান থেকে দশ হাত দূরে শীতে একদল যুবক কাঠ জ্বালিয়ে আগুনের উষ্ণতা নিচ্ছিল ও মদ্যপানে লিপ্ত ছিল। হঠাৎ তাদের মধ্যে অতি মদ্যপ দুজন নিধির কে ধরে মদের চাট খাওয়ার জন্য বিনা পয়সায় ঘটি গরম চানাচুর দেওয়ার জন্য জুলুমবাজি করে। বেচারা নিধির বাবু ট্রেন পেতে অসুবিধা হবে ও বিনা পয়সায় না দেওয়ার কথা কাকুতি মিনতি করে বলে। হাতজোড় করে তাদের তাকে ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ করে কিন্তু মদের অতি নেশায় একজন তার ঘটি গরমের টিন কাঁধ থেকে নামায় ও লাথি মেরে ফেলে দেয়। দুই তিন জন নিধির বাবুকে চড়চাপড় মারে। স্তম্ভিত ও বিস্মিত নিধির বাবুর ঠোঁট থেকে রক্ত ঝরতে থাকে। চোখের জল ফেলে নিধির বাবু খালি হাতে নিজের ঘরের দিকে রওনা হয় অসহায় ভাবে ও আতঙ্কিত হয়ে। এরপর থেকে এই রাস্তায় তাকে আসা কেষ্ট দা আর দেখেনি। সম্ভবত ভয়ে, আতঙ্কে, রাগে ও অভিমানে সে পথে আসা বয়কট করেছে বা ভালো রকমই আহত হয়েছে বা ভাল রকমই আহত হয়েছে যার ফলে তার আসা-যাওয়ার অসুবিধা সৃষ্টি হচ্ছে এরকমই শুভঙ্কর দা মনে করছে।
ঘটনা শোনার পর ব্যথিত হৃদয়ে শুভঙ্করদা বাড়ি ফেরে। ফিরে কিন্তু ঘরে বসে নিধির ঘটি গরম ওয়ালার কথা ভেবে মন ভারাক্রান্ত হয়ে ওঠে দুঃখে। সেটা হয়তো প্রকাশ্যে দেখাতে পারছে না কাউকেই। আবার ক্রোধের ভাব সৃষ্টি হয়েছে সমগ্র সমাজ ব্যবস্থার প্রতি। সামাজিক অবক্ষয়ের শিকার হচ্ছে দিন আনা দিনে খাওয়া গরিব মানুষগুলো। সহজ সরল মানুষগুলো আক্রান্ত হবে মদ মাতালদের দ্বারা, অসামাজিক অপরাধীদের দ্বারা? এই ভাবনা কুরে কুরে জ্বালাচ্ছে শুভঙ্কর দাকে।
সব থেকে বড় চিন্তা তো তুতুন কে সে কি উত্তর দেবে? শুভঙ্কর দা জানে না তুতুন এর কাছে নিধির ঘটি গরমওয়ালা কি ফিরে আসবে আবার, নাকি আদৌ সে ফিরবে না অসুস্থ এই সমাজের কাছের থেকে জটিল রোগের শিকার হয়ে।
ঘটি গরমওয়ালার ঘন্টির আওয়াজ তুতুন কি আবার শুনতে পাবে?

 আপনার হৃদয়ে পুঞ্জিভূত শব্দের ডালি (স্বরচিত কবিতা, গল্প, প্রবন্ধ ) পাঠিয়ে দিন আমাদের WhatsApp077973 31771 -এ। মনোনীত হলে প্রতি রবিবার প্রকাশিত হবে আমাদের ওয়েবসাইট www.ezeropoint.net -এর সাহিত্য বিভাগে।
ইউনিকোডে
 টাইপ করে পাঠান। অবশ্যই লেখাটি অপ্রকাশিত হতে হবে।

পাঠকের মতামত লেখক ও প্রকাশকের পাথেয়,
তাই অবশ্যই নীচের কমেন্ট বক্সে মন্তব্য করুন ও শেয়ার করুন

( যেদিন লেখা পাঠাবেন তার পর থেকে ২ মাস অপেক্ষা করবেন। ২ মাস পর লেখা প্রকাশিত না হলে জানবেন লেখাটি মনোনীত হয়নি)

-সম্পাদক, জিরো পয়েন্ট

Related posts

বর্ষপূর্তিতে মেতে উঠল ‘খোলা জানালা’

E Zero Point

সাড়ম্বরে উদযাপিত হলো পদার্পণ পত্রিকার বার্ষিক অনুষ্ঠান

E Zero Point

করোনা আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত সাহিত্যিক অনীশ দেব

E Zero Point

মতামত দিন