23/07/2026 : 3:33 AM
আমার বাংলাদক্ষিণ বঙ্গপূর্ব বর্ধমানমেমারি

মেমারি পৌরসভার উচিৎ সুনির্দিষ্ট নীতি নির্ধারণ করে পুর্নবাসন দিয়ে হকার উচ্ছেদ করাঃ সিটু নেতা পীয়ুষ বিশ্বাস

জিরো পয়েন্ট নিউজ – নূর আহামেদ, মেমারি, ৬ জুলাই ২০২৪ :


মেমারি ১ পশ্চিম এরিয়া কমিটি ও মেমারি ১ পূর্ব সিআইটিইউ সমন্বয় কমিটির উদ্যোগে পুর্নবাসন ছাড়া অমানবিকভাবে হকার উচ্ছেদ করা চলবে না এই দাবীতে শনিবার বৈকাল ৫ টা নাগাদ মেমারি জিটিরোড সিআইটিইউ অফিসের সামনে থেকে মিছিল হয়। মিছিল চকদিঘী মোড থেকে শুরু হয়ে কৃষ্ণবাজার, স্টেশন বাজার হয়ে বামুনপাড়া মোড়ে এসে শেষ হয়।

মিছিলে ছিলেন অনিল মুখার্জী, হাসিবুল মন্ডল., সঞ্জয় দেব, কালু রায়। মিছিল শেষে বামুনপাড়া মোড়ে একটি সংক্ষিপ্ত পথসভা হয়। সভায় বক্তব্য রাখেন সিআইটিইউ জেলা সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য অভিজিৎ কোঙার, সনৎ ব্যানার্জী, মেমারি ১ পশ্চিম সিআইটিইউ সমন্বয় কমিটির সম্পাদক পীয়ুষ বিশ্বাস।

বক্তারা বলেন, ভোট শেষ হতেই নিজেদের গরিববিরোধী অবস্থানের নখদাঁত বের করেছে, শাসক তৃণমূল কংগ্রেস আর বিজেপি। বিজেপি পরিচালিত কেন্দ্র সরকার রেলব্যবস্থা উন্নয়নের নাম করে নির্বিচারে বস্তি উচ্ছেদ করছে। আর রাজ্য সরকার করছে হকার উচ্ছেদ।

২০১৪ সালের কেন্দ্রীয় হকার আইন অনুযায়ী পুনর্বাসন ছাড়া হকার উচ্ছেদ করা যায় না। হকারদের পক্ষ থেকে অন্তত ৪০% সদস্য নিয়ে টাউন ভেন্ডিং কমিটি গঠন করে হকারদের লাইসেন্স দেওয়ার কথা বলা আছে আইনে। কিন্তু মমতা সরকার এই আইন পশ্চিমবঙ্গে বলবৎ করছে না। তার অন্যতম প্রধান কারণ গোটা তৃণমূল কংগ্রেস দলটি দাঁড়িয়ে রয়েছে তোলাবাজির টাকার উপর।

যদি আইন অনুযায়ী হকারদের লাইসেন্স দিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তারা সম্মানের সঙ্গে মাথা উঁচু করে ব্যবসা করতে পারবেন। ফলে তৃণমূলের তোলাবাজি বন্ধ হবে। এটা তারা চান না। নির্বাচন শেষ হয়েছে, তৃণমূল কংগ্রেস মনে করছে অন্তত ২০২৬ সাল পর্যন্ত আবার তারা নির্বিচারে দলবাজি, তোলাবাজি আর চুরির লাইসেন্স পেয়ে গেছে। আসলে নতুন রেটে তোলাবাজির ব্যবস্থা করতে চাইছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাই নবান্ন থেকে তাঁর উচ্ছেদের ঘোষণা। হিম্মত থাকলে ভোটের আগে উচ্ছেদের এজেন্ডা দিয়ে ভোট করুক তৃণমূল, বিজেপি।

সম্প্রতি মেমারি পৌরসভার থেকে মেমারির প্রধান রাস্তাগুলো থেকে হকার উচ্ছেদ ও টোটো ফুটপাতে দাঁড়ানো যাবে না বলে যে মাইক প্রচার করেছে তা অনৈতিক। কোনরকম আলোচনা না করেই পৌরসভার এই সিদ্ধান্তকে ধিক্কার জানানো হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে অজস্র হকার পরিবার না খেয়ে থাকবে, অজস্র টোটো চালকরা যার চাকরি না পেয়ে টোটো চালাতে বাধ্য হয়েছে তাদের সংসার চলবে না। পৌরসভার উচিৎ সুনির্দিষ্ট নীতি নির্ধারণ করে পুর্নবাসন দিয়ে হকার উচ্ছেদ করা।

Related posts

নবান্ন অভিযান সফল করতে ডিওয়াইএফআই-এর মিছিল

E Zero Point

মেমারিতে ব্রহ্মা পুজো

E Zero Point

শ্রদ্ধার সাথে হুল দিবস পালন কালনায়

E Zero Point

মতামত দিন