29/09/2022 : 12:41 PM
BREAKING NEWS
অন্যান্য

‘জাতীয় টেকনোলজি দিবস’

দিগন্তিকা বোস

আজ জাতীয় টেকনোলজি দিবস । জাতীয় বিজ্ঞান দিবস এর মতো খুব একটা প্রচলিত নয়। তাই আমাদের অনেকের কাছে অজানা।আবার অনেকেই এটা জানেন ও গুরুত্ব বোঝেন।
১৯৯৮ সালের ১১ মে পোখরানে মাটির তলায় পরীক্ষামূলকভাবে বৈজ্ঞানিক এপিজে আব্দুল কালাম দ্বিতীয় নিউক্লয়ার বোমা বিষ্ফোরণ ঘটান। সেই দিন থেকেই সারা বিশ্ব ভারত কে পরমণুু শক্তিধর দেশ হিসাবে বিশেষ গুরুত্ব দিতে শুরু করে। এই দিনটি তাই ভারতের জাতীয় টেকনোলজি দিবস হিসাবে পালন করা হয়। করোনা বিপর্যয়ের জন্য বিজ্ঞানি ,টেকনোলজিষ্ট, উদ্ভাবকরা সাড়ম্বরে আজ জাতীয় টেকনোলজি দিবস পালন করতে পারছেন না। এর গুরুত্বের কথা ভেবে আমি দুই- এক কথা বলার চেষ্টা করছি।ভারত আজ নিজের প্রযুক্তিতে নিজেকে বিশ্বমানের করে তুলেছে তার বিভিন্ন উদাহরণ আমাদের কাছে রয়েছে। আমি সেই প্রসঙ্গে যাচ্ছিনা ভারতের টেকনোলজি কে বিশ্বমানের পৌঁছে দেবার যে সমস্ত কারিগর রয়েছেন তাঁদের এক জনের কথা কিছু টা বলার চেষ্টা করবো। এই রকম একজন মানুষ প্রফেসর ডঃ অনিল কুমার গুপ্তা। ওনার সাথে ভারতের টেকনোলজির পথপ্রদর্শক ডঃ এ পি জে আবদুল কালাম স্যার এর খুব ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। গুপ্তা স্যার এর কাছ থেকে ডঃ এ পি জে আবদুল কালাম স্যার এর নানান গল্প শোনার সৌভাগ্য হয়েছে আমার ।খুব দুঃখজনক যে যত সংখ্যক মানুষ প্রফেসর ডঃ অনিল কুমার গুপ্তা সম্পর্কে জানেন না তার সংখ্যা খুব কম নয়। প্রথমেই বলে রাখি , তিনি ভারতের গ্ৰাসরুট ইনভেশন ও ট্রডিশনাল নলেজ কে ভারতের প্রতিটি শহর ,গ্ৰাম থেকে খুঁজে বের করে সমগ্ৰ পৃথিবীতে ছড়িয়ে দিয়েছেন।

দিগন্তিকা বোস ও প্রফেসর ডঃ অনিল কুমার গুপ্তা

তাঁর শিক্ষা জীবন
কৃষিতে স্নাতক ডিগ্রি (অনার্স) শেষ করার পরে, তিনি ১৯৭৪ সালে হরিয়ানা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতকোত্তর (বায়োকেমিক্যাল জেনেটিক্স) শেষ করেন। ১৯৮৬ সালে তিনি কুরুক্ষেত্র বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ম্যানেজমেন্টে পিএইচডি অর্জন করেন। এর পর বিভিন্ন আই আই টি ও ম্যানেজমেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপনা করেন।
তিনি হানি বি, সৃষ্টি, জ্ঞান, ইত্যাদি বেশকিছু প্রতিষ্ঠান তৈরি করেন। যার সাহায্যে ভারত তথা সমগ্র এশিয়া মহাদেশের পত্যন্ত স্থান থেকে গ্ৰাসউড টেকনোলজি উদ্ভাবক দের খুঁজে বার করে পৃথিবীতে ছড়িয়ে দেন।
টেকনোলজিক্যাল ইনভেশন কে কেন্দ্র করে তাঁর অসংখ্য বই রয়েছে।
তিনি ২০০৪ সালে পদ্মশ্রী পুরস্কার পান।
এছাড়াও অসংখ্য দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার তিনি পেয়েছেন। সবশেষে বলি তাঁর কর্মকান্ডের খুব সামান্যই তুলে ধরতে পারলাম। ইচ্ছা রইল স্যার কে নিয়ে বিস্তারিত লেখার।
সকলকে অনুরোধ করছি নিচের লিংক থেকে স্যার ও ভারতের গ্ৰাসরুট ইনভেশন সম্পর্কে আরো জানতে ক্লিক করুন।
https://en.m.wikipedia.org/wiki/Anil_Kumar_Gupta

http://faculty.iima.ac.in/~anilg/

Related posts

সত্যজিৎ রায় জন্ম শতবার্ষিকীতে ফিল্মস ডিভিশনের অনলাইনে চলচ্চিত্র উৎসব

E Zero Point

ঈদের শাড়ী নিয়ে ফেরার পথে দূর্ঘটনায় মৃত্যু গলসিতে

E Zero Point

৩১ মে পর্যন্ত আদালত অচল থাকার নির্দেশিকা

E Zero Point

মতামত দিন