22/07/2026 : 6:20 PM
আমার দেশ

সবজির বিনিময়ে শিক্ষা আসামে

জিরো পয়েন্ট নিউজ ডেস্ক৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০:


করোনাভাইরাস মহামারি আকারে ছড়িয়ে যাওয়ার জেরে বিশ্বব্যাপী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যায়। ইউনেস্কোর দেওয়া তথ্যানুসারে, ভারতে করোনার জেরে  অজস্র শিক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।

শহরের স্কুলগুলোতে অনলাইনে ক্লাস নেওয়ার ব্যবস্থা করা হলেও ভারতের প্রত্যন্ত অঞ্চলের গ্রামগুলোর শিক্ষার্থীর পড়েছে মহা বিপাকে। কিছু কিছু গ্রামে বিনিময় প্রথায় পাঠদান চলছে।

আসামের চন্দ্রপুরে বিনিময় প্রথার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করা হচ্ছে। পড়ানোর বিনিময়ে শিক্ষার্থীরা শাক-সবজি দিচ্ছেন মাস্টার মশাইকে।

ক্লাসে যোগ দেওয়ার আগে শিক্ষার্থীদের হাত সাবান দিয়ে ধুয়ে দেওয়া হচ্ছে। এরপর শিক্ষকের বাড়ির এক স্থানে সবাই বসছে। তারপর পাঠদান শুরু হচ্ছে।

পড়ার বিনিময়ে বাড়িতে উৎপাদিত বিভিন্ন ধরনের সবজি, গরুর দুধ, ডিম দেওয়া হচ্ছে। সবজির মধ্যে কলার মোচা, ঝিঙা, বরবটি, ডুমুর, পটল, বেগুন দিতে দেখা গেছে।

শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা বলছেন, লকডাউনের ফলে অনলাইনে ক্লাস করার সক্ষমতা নেই তাদের ছেলেমেয়েদের। এমনকি অর্থের বিনিময়ে প্রাইভেট পড়ানোর মতোও পরিস্থিতি নেই। সে কারণে শিক্ষকদের কিছুটা সম্মানি হিসেবে বাড়িতে উৎপাদিত সবজি দিচ্ছেন তারা। মূলত পড়ানোর বিনিময়ে দেওয়া হচ্ছে এসব।

অন্য আরেক গ্রামে বাড়িতে গিয়ে পড়ানোর বিনিময়ে চাল ও গম দিতে দেখা গেছে। বিবেক নামে একজন অভিভাবক বলেন, আগে মাসে সাড়ে সাতশ রুপিতে পড়াতে চাইতো শিক্ষকরা। তবে এখন গমের বিনিময়ে বাড়িতে এসে পড়াচ্ছে। কিন্তু এভাবে তো বেশিদিন পড়ানো যায় না।

অন্যদিকে করোনার জেরে স্কুল বন্ধ থাকায় ৭০ শতাংশ শিক্ষার্থী শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। আর গ্রামের সকল পরিবার এভাবে পড়াতেও সক্ষম নয়।

Related posts

‘আত্মনির্ভর ভারত’-এর লক্ষ্যপূরণে দেশীয় শিল্পের মাধ্যমে নকশা তৈরি করে নির্মাণের জন্য ডিআরডিও ১০৮ রকমের সিস্টেম ও সাবসিস্টেমকে চিহ্নিত করেছে

E Zero Point

করোনা আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য নতুন স্বাস্থ্য পরিষেবা কর্মসূচি

E Zero Point

আধা-বিচার বিভাগীয় মামলার ভার্চ্যুয়াল পদ্ধতিতে শুনানির প্রক্রিয়া নতুন যুগের সূচনা করেছে

E Zero Point

মতামত দিন