জিরো পয়েন্ট নিউজ ডেস্ক, অতনু ঘোষ, মেমারি, ২৬ ডিসেম্বর ২০২১:
বড়দিন….. আর বড়দিন মানে এক অন্য অনুভূতি…. ক্রিসমাস ট্রি সাজানো, কেক চকলেট, পিকনিক আর কাছেপিঠে চার্চে ঘুরতে যাওয়া। বড়দিন মানেই স্যান্টা আসবে আর আমাদের গিফট দেবে। এই রূপকথার গল্প শুনেই বড় হয়ে ওঠা। কিন্তু এই বড়দিন সত্যিই কি সবার কাছে বড়দিন…..
স্যান্টাক্লজ সত্যি সত্যি আছে কি নেই বা তিনি সত্যিই আমাদের গিফট দেন কিনা তা আমার জানা নেই বা সেই তর্কে যেতেও চাইনা।

তাই এদিন পূর্ব বর্ধমান জেলার মেমারি আঁচল স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সদস্যরা সাধারণভাবে তাদের মতন করে সবার সঙ্গে বড়দিনের আনন্দ ভাগ করে নেয়ার একটা ছোট্ট চেষ্টা করলো। দিনটা যখন বড়, তাই সেটা সবার কাছে বড়দিন হয়েই থাকুক। ২৪ শে ডিসেম্বর রাতে বা ২৫ শে ডিসেম্বর বারোটার সময় বেরিয়ে আঁচল সদস্যরা প্রত্যেক পথবাসী কে উষ্ণতার আঁচলে জড়িয়ে রাখতে একটি করে কম্বল ও তাদের দিনটাকে বড় করে দিতে একটি করে কেক বিতরণ করল।

বড়দিনের দিনেও কারা মেমারি শহরের কিছু জায়গায় শিশুদের কেক মিষ্টি ও ঠান্ডার হাত থেকে রেহাই পেতে কানপট্টি বিতরণ করে শিশুদের মুখের অনাবিল হাসি উপহার দিল। আঁচলের সদস্যরা চেয়েছিল বড়দিনের আনন্দটা সবার সঙ্গে ভাগ করে নিতে। তারা হয়তো ক্রিসমাস ট্রি সাজাতে পারেনি পারেনি সবার ঘরে আলো জ্বালাতে। সন্ত ক্লজ সেজে সকলকে গিফট দিতেও পারেনি।
কিন্তু তারা অন্তত থেকে চেয়েছিল উৎসবের জাঁকজমক টা বড় না হোক, উৎসবে অনুভূতি তা যেন সকলের কাছে বড় হতে থাকে।

