27/02/2026 : 4:54 PM
আমার বাংলাদক্ষিণ বঙ্গপূর্ব বর্ধমান

মন্তেশ্বরে প্রতিকূল আবহাওয়ায় ছাত্রীরাও কৃষিকাজে

আলেক শেখ, কালনা, ১৬  জুনঃ প্রতিকূল আবহাওয়ায় কলেজ ছাত্রীদেরও বর্তমান পরিস্থিতিতে কৃষিকাজে লাগতে হতে হয়েছে।  সেই ছবিই মঙ্গলবার দেখা গেল মন্তেশ্বর থানার শুশুনিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের বুধপুর গ্রামে। এই গ্রামের পিয়া সোম ও সুদীপ্তা সোম দুজনেই কলেজ ছাত্রী। তাদের এদিন দেখা গেল ধান ঝাড়াই মেশিন চালিয়ে ধান ঝাড়তে। তারা জানান– আমাদের গ্রামের  প্রায় সব মানুষের পেশা কৃষি। আমফান, কালবৈশাখীর ঝরে আশি শতাংশ বোরোধান মাঠেই নষ্ট হয়ে গেছে। যেটুকু পাওয়া গেছে সেটুকুও গোছানোর মত কৃষকদের হাতে পয়সা নেই। কারন এই চাষ করতে গিয়ে কৃষকদের ঋনে গলা পর্যন্ত ডুবে আছে। কিভাবে সেই ঋণ শোধ হবে তা ওই উপরওয়ালাই জানে। আর আমাদেরও লকডাউনে কলেজ বন্ধ।  সংসারের কাজে যতটা লাগতে পারি, তাই আমরা আজ ধানঝাড়াই করছি। সারা ভারত কৃষকসভা কৃষকদের বর্তমান অবস্থা উপলব্ধি করে যে আওয়াজ তুলেছে-সেটা যথার্থ তা বুধপুরের কলেজ ছাত্রীরাই প্রমান দিচ্ছে। কৃষকদের স্বার্থে কৃষকসভার দাবি— ঘূর্ণি ঝরে বিধ্বস্ত পশ্চিবঙ্গকে জাতীয় বিপর্যয় বলে ঘোষণা করতে হবে।  অবিলম্বে ২৫৫০ টাকা কুইন্টাল দরে সরকারি ভাবে ধান কেনা শুরু করতে হবে। আমফান-কালবৈশাখীর ঝরে চুক্তি কৃষক সহ সব কৃষকদের সম্পুর্ন ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।  বকেয়া কৃষি ঋণ মুকুব করে আগামীতে চাষ করার জন্য সহজ শর্তে কৃষি ঋণ দিতে হবে।  কৃষি ও কৃষক ধ্বংসকারী নয়া কেন্দ্রীয় অর্ডিন্যান্স প্রত্যাহার করতে হবে।

Related posts

আড়াই মাস বন্ধ থাকার পর বর্ধমানের সর্বমঙ্গলা মন্দিরের দরজা খুললো

E Zero Point

রাম গোস্বামী স্মরণে রক্তদান শিবির

E Zero Point

রাস্তার উপর শুয়ে কৃষি বিলের বিরোধিতা ভাতারে

E Zero Point

মতামত দিন