13/06/2026 : 10:10 AM
আমার বাংলা

বর্ধমান সহযোদ্ধার পক্ষ থেকে বর্ধমান রত্ন প্রদান

জিরো পয়েন্ট নিউজ, কলকাতা, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৪:


বিশিষ্ট সাংবাদিক সোমনাথ ভট্টাচার্যের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত বর্ধমানের স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ‘বর্ধমান সহযোদ্ধা’। সমাজের পিছিয়ে পড়া অংশের মানুষের পাশে থাকার উদ্দেশ্যে ২০১০ সালের ৯ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয় এই সংস্থা। সমাজসেবার অঙ্গনে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা বর্ধমান সহযোদ্ধা একটি অতি পরিচিত নাম। সারা বছর জনসচেতনতা বিষয়ক নানা অনুষ্ঠানের পাশাপাশি সেবামূলক কাজের মধ্যে দিয়ে বর্ধমান সহযোদ্ধা শহর ছাড়িয়ে গ্রামগঞ্জেও নীরবে কাজ করে চলেছে।

কিন্তু লক্ষ্য যাদের আকাশ ছোঁয়া স্বাভাবিক ভাবেই তাদের কাজের পরিসর অনেক বেড়ে যায়। দুঃস্থদের সাহায্য করা, ক্ষুদেদের জন্য অঙ্কন, আবৃত্তির মত সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার আয়োজন করার সঙ্গে সঙ্গে সমাজের বিভিন্ন স্তরের গুণীজন ও কৃতি মানুষদেরও তারা সম্বর্ধনা দিয়ে যাচ্ছে। এরসাথে অসহায় মানুষদের জন্য আইনি পরিষেবা তো আছেই।

শনিবার ১৪ ডিসেম্বর এমনই এক অনুষ্ঠানের সহযোগী হিসাবে পাশে থাকলো বর্ধমান সহযোদ্ধা। পল্লীকবি কুমুদরঞ্জন মল্লিকের প্রায়াণ দিবসকে স্মররণ করার জন্য  শনিবার বিকেলে কলকাতার বিধান শিশু উদ্যানে ‘পল্লিকবি ও আদালত’ শীর্ষক স্মরণিকা প্রকাশিত হলো।

সেইসাথে ‘বর্ধমান সহযোদ্ধা’ সংগঠনের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে গুণীজন সংবর্ধনা প্রদান করে। পূর্ব বর্ধমান জেলার ‘কুমুদ সাহিত্য মেলা কমিটির পরিচালনায় বিধান শিশু উদ্যানের অতুল্য ঘোষ স্মৃতি সভাগৃহে এই অনুষ্ঠানটির আয়োজন করা হয়েছিল।

এদিন বর্ধমান সহযোদ্ধার নিজস্বতায় উপস্থিত সকল অতিথিদের চনন্দনের ফোঁটা দিয়ে বরণ করেন। অতিথি ও দর্শকদের প্রদীপের প্রজ্জ্বলিত অগ্নিশিখার মাধ্যমে আরতি ও উলুধ্বনির মাধ্যমে অশুভ শক্তির নাশ ও শুভ শক্তিকে বরণ করে নেওয়া হয় সংস্থার নারীশক্তির দ্বারা।

আইনী জনসচেতনতা কর্মসূচি পালনে সু-পরিচিত ‘বর্ধমান সহযোদ্ধা’র সংগঠনের তরফে মাননীয় বিচারপতি রবীন্দ্রনাথ সামন্ত মহাশয় কে ‘পূর্ব বর্ধমান জেলা রত্ন সম্মান’ জানানো হয়। এছাড়াও সম্মান জ্ঞাপন করা হয় বর্ধমান নিবাসী বিশিষ্ট সমাজসেবী অমরচাঁদ কুন্ডু মহাশয়কে।

বর্ধমান সহযোদ্ধার সম্পাদক প্রীতিলতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন,  বর্ধমান সহযোদ্ধা বিভিন্ন সমাজ সেবামূলক কাজ করে আসছে। প্রতিষ্ঠা দিবস ৯ ডিসেম্বর তারিখটিকে সামনে রেখে প্রত্যেক বছর বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়। এবারও সেই ধারাবাহিকতায় বজায় রেখে পূর্ব বর্ধমান জেলার ‘কুমুদ সাহিত্য মেলা কমিটির সাথে যৌথ ভাবে সমাজের বিশিষ্ট দুই ব্যক্তিকে সংবর্ধনা জানানো হলো বর্ধমান রত্ন হিসাবে। মূল লক্ষ্য একটাই সমাজে এই ধরনের বিশিষ্টজনদের অনুপ্রেরণা পাথেয় করে সামাজিক কাজ করে যাওয়।

পূর্ব বর্ধমান জেলার ‘কুমুদ সাহিত্য মেলা কমিটির  সম্পাদক জসিমুদ্দিন মোল্লা বলেন, একাধারে পল্লিকবি কুমুদরঞ্জন মল্লিকের পুত্র জ্যোৎস্না মল্লিক ছিলেন জেলা ও দায়রা বিচারক, কবির নাতি সুধেন্দ্রনাথ মল্লিক ছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি। এর পাশাপাশি কুমুদ সাহিত্য মেলা কমিটির সিংহভাগ সদস্য আইনী পেশার সাথে যুক্ত। ঠিক এইরকম পরিস্থিতিতে ‘পল্লিকবি ও আদালত’ স্মরণিকা উপস্থাপনা। আর এই ধরনের অনুষ্ঠানে বর্ধমান সহযোদ্ধার সহযোগী হিসাবে পেয়ে আমরা সমৃদ্ধ হয়েছি।

 

 

 

 

Related posts

অগাস্ট মাসের শেষ লকডাউনে মেমারি শহরের চিত্র

E Zero Point

মেমারিতে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার

E Zero Point

প্লাস্টিকের বদলে বই বর্ধমান বইমেলায়

E Zero Point

মতামত দিন