বিশেষ প্রতিনিধিঃ করোনা আবহের মধ্যেই রাজনৈতিক সংঘর্ষ বৃদ্ধি পাচ্ছে রাজ্যের বিভিন্ন জেলাতে। গত ৪ জুলাই ভোরে বীরভূম জেলার খয়রাশোলের রানিপাথর এলাকায় শিশির বাউরি(৪৪) নামে এক ব্যক্তির মৃতদেহ পাওয়া যায়। তাঁর শরীরে ক্ষতচিহ্ন রয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা যায় যে, পুলিশ জানিয়েছে, নিহতের বাড়ি স্থানীয় আমাজোলা গ্রামে। গত ৩ জুলাই শুক্রবার রাতে বাড়ি থেকে বেরিয়ে আর ফেরেননি এবং শনিবার ভোরে তাঁর রক্তাক্ত দেহ রানিপাথরে। ঘটনাস্থল থেকে মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ ময়না তদন্তের জন্য সিউড়ি হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়। এই ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ও উত্তেজনা ছড়িয়েছে। তৃণমূলের দাবি, দলীয় কর্মী খুনে বিরোধীদের হাত রয়েছে। অন্য দিকে, বিজেপির দাবি, এই খুনের কারণ তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। উক্ত ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ।
খয়রাশোলের রেশ কাটতে না কাটতেই আবার তৃণমূল কর্মী সহদেব বাগদী ( ৪৫ ) খুন হলেন লাভপুর থানার ঠিবা পঞ্চায়েতের ভাটরা গ্রামে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে ধারালো অস্ত্রের কোপ মেরে খুন করা হয়
লাভপুরের ঠিবা গ্রামের বাসিন্দা। আনুমানিক ২ কিলোমিটার দূরে একটি মাঠ থেকে দেহ উদ্ধার হয় । দেহটিকে উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য বোলপুর মহকুমা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় তৃনমূল নেতৃত্বের অভিযোগ, এলাকায় আতঙ্ক ছড়াতে বিরোধীরা এই কাজ করেছে। যদিও তাদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছে প্রধান বিরোধী শিবির।
