16/07/2026 : 1:13 AM
আমার বাংলাদক্ষিণ বঙ্গপূর্ব বর্ধমানমেমারি

সেরা পুজোঃ সুরসম্রাজ্ঞী লতা মঙ্গেশকরের প্রতি শ্রদ্ধা, মেমারির মোনালিসার

জিরো পয়েন্ট বিশেষ প্রতিবেদন, ২৫ জানুয়ারী ২০২৩:


মেমারি শহরের অলিগলিতে সরস্বতী পুজোর আয়োজন করেছেন বিভিন্ন ক্লাব সংগঠন। বিদ্যাদেবীর আরাধনার সাথে সাথে সংগঠকদের সমাজের প্রতিদায়বদ্ধতার নিরিখে জিরো পয়েন্ট বেশকিছু পুজো কমিটির চিন্তাভাবনাকে কুর্নিশ জানায়। জিরো পয়েন্ট এর পাঠকদের কাছে বিনম্র্ নিবেদন এটা কোন পুজো পরিক্রমা বা প্রতিযোগিতা বলে ভাববেন না। সমাজেরবুকে কিছু ভালো প্রয়াসকে কুর্ণিশ জানানোই আমাদের একমাত্র লক্ষ্য।

পূর্ব বর্ধমান জেলার মেমারি বিষয়ী পাড়ার শিবপুকুরের দক্ষিণ পাড়ে সরস্বতী পুজোর থিম প্রতি বছরেই মানুষের মনে ছাপ ফেলে এবছরও তার ব্যতিক্রম হয়নি। এবাবের ভাবনা ছিল আয় তব সহচরী। কোকিল কন্ঠী, সুর সম্রাজ্ঞী লতা মঙ্গেশকরকে শ্রদ্ধা জানিয়ে সেজে উঠেছিল মা সরস্বতী প্রতিমা থেকে শুরু করে পুজো মন্ডপ।

মোনালিসা ষষ্ঠ বছরে যে সরস্বতী প্রতিমা করেছেন তাতে দেখা যায় মা সরস্বতী স্বয়ং সুরসম্রাজ্ঞী লতা মঙ্গেশকরের হাত ধরে নিয়ে যাচ্ছেন। অপূর্ব দৃষ্টিনন্দন এই বিষয়টি। এ থেকেই বোঝা যায় ভারতের কোকিলকন্ঠী শিল্পী লতা মঙ্গেশকর ছিলেন সরস্বতীর মানস কন‍্যা। পূজা মন্ডপে ছিল লতাজীর একাধিক আলোকচিত্র।

শুধু থিমেতেই সীমাবদ্ধ ছিল না মোনালিসা, মেমারির মানুষের জ্ঞাণের ভান্ডারকে আলোকিত করার জন্য আমন্ত্রিত করেছিল সুরসম্রাজ্ঞী লতা মঙ্গেশকর গবেষককে। গবেষক স্নেহাশীষ চট্টোপাধ্যায় শনিবার রাতে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানাতে উপস্থিত হলেন।

স্নেহাশীষ চট্টোপাধ্যায় গত প্রায় ৩৫ বছর ধরে লতা মঙ্গেশকরের উপর কাজ করছেন। কাজের প্রয়োজনে তিনি বহুবার লতাজীর সঙ্গে দেখা করেছেন। তিনি শ্রীরামপুরে তাঁর নিজের বাড়িতে লতা মঙ্গেশকর আর্কাইভ তৈরী করেছেন। সেখানে তিনি লতা মঙ্গেশকরের গাওয়া প্রায় সব গান সংরক্ষণের ব‍্যবস্থা করেছেন। লতা মঙ্গেশকরের গাওয়া প্রায় সব গানের উপর তিনি “লতা গীত কোষ” নামে একটি বই লিখেছেন। যেটি ১৫ টি খন্ডে বিভক্ত। বইটির ১৩ টি খন্ড ইতিমধ‍্যেই প্রকাশিত হয়েছে।

স্নেহাশীষবাবু জানান, লতা মঙ্গেশকর মোট ৩৮ টি ভাষায় প্রায় ৭ হাজার গান গেয়েছেন। তার মধ‍্যে স্নেহাশীষ বাবুর কাছে ৩৪ টি ভাষায় গাওয়া লতার গান সংরক্ষিত আছে।

সংস্থার পক্ষ থেকে অনিরুদ্ধ গুহ, শুভম বিষয়ী, অলোক দাস জানান শুধুমাত্র পুজো নয়, পুজোকে কেন্দ্র করে ভারতীয় সংস্কৃতিকে তুলে ধরা যেমন আমাদের লক্ষ্য ঠিক তেমনই শিশু কিশোরদের মধ্যে সাংস্কৃতিক বিকাশের লক্ষ্যে অঙ্কন প্রতিযোগিতা ও সান্ধ্য সাংস্ক-তিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

Related posts

রাজ্য সড়কের উপর রণগ্রাম সেতুর পরিদর্শনে জেলাশাসক

E Zero Point

পদ্ম শিবির ছেড়ে ঘাস ফুলে ৬ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি

E Zero Point

৯১৭ বছরের পুরনো দুর্গাপূজো

E Zero Point

মতামত দিন