জিরো পয়েন্ট বিশেষ সংবাদদাতা, ১০ অগাষ্ট ২০২৪ :
শুক্রবার সকালে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের সেমিনার রুম থেকে যে জুনিয়র ডাক্তার তথা মেডিক্যালের ছাত্রীর দেহ উদ্ধার হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে মিলেছে খুন ও ধর্ষণের ইঙ্গিত। ইতিমধ্যে শনিবার শিয়ালদহ আদালতে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে যুবতী চিকিৎসক ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় ধৃত যুবককে ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজতে পাঠানো হয়। আর তার মধ্যেই ঘটে গেল পূর্ব বর্ধমানে আর এক ঘটনা। হাসপাতালের মধ্যে কর্তব্যরত একজন চিকিৎসকের সঙ্গে সিভিক ভলেন্টিয়ার এর ন্যাক্কারজনক দুর্ব্যবহারের ঘটনায় আলোড়ন ছড়িয়েছে রাজ্য জুড়ে।
“আর জি কর- এ কি হয়েছে দেখেছন তো, তা আপনার সাথেও হতে পারে” এমনই হুমকি দিয়েছে সিভিক ভলেন্টিয়ার বলে অভিযোগ ভাতাড় হাসপাতালের চিকিৎসক সুতপা নষ্করের। রাতে হাসপাতালে কর্তব্যরত অবস্থায় থাকার সময় মদ্যপ অবস্থায় এসে মহিলা চিকিৎসককে হুমকি দেয় ভাতাড় থানার সিভিক সুশান্ত রায়, এর পর থেকেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন ওই মহিলা চিকিৎসক।
সংবাদসূত্রে জানা যায় সুশান্ত রায় ভাতাড় থানার সিভিক ভলেন্টিয়ার হিসাবে কর্মরত। শনিবার সকালে ভাতাড় হাসপাতাল থেকে মিছিল করে ভাতাড় থানায় এসে বিক্ষোভ দেখায় চিকিৎসক, স্বাস্থ্য কর্মীরা। তাদের দাবী, অবিলম্বে অভিযুক্ত সিভিক ভলেন্টিয়ার সুশান্ত রায় কে গ্রেপ্তার করতে হবে এবং হাসপাতালের নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে হবে। অভিযুক্ত সিভিক ভলেন্টিয়ারের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন চিকিৎসক সুতপা নষ্কর।
ডেপুটি সি এম ও এইচ ডা: সুবর্ণ গোস্বামী জানিয়েছেন, এই ঘটনা খুবই দুঃখজনক। সারা রাজ্য জুড়ে আর.জি.করের ঘটনা কে ধিক্কার জানাচ্ছে, তার পরেও ভাতাড় স্টেট জেনারেল হাসপাতালে মহিলা চিকিৎসক কে সিভিক ভলেন্টিয়ারের হুমকির ঘটনা টি মেনে নেওয়া যায় না। চিকিৎসকদের ক্ষোভ কে সমর্থনের সাথে সাথে অবিলম্বে অভিযুক্ত সিভিক কে গ্রেপ্তারের দাবী জানিয়েছেন তিনি। অভিযোগ পাওয়ার পরই অভিযুক্ত সিভিক সুশান্ত রায়কে ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার করেছে ভাতাড় থানার পুলিশ। রবিবার তাঁকে আদালতে হাজির করানো হবে।




