13/06/2026 : 11:16 AM
আমার দেশ

জেএনসিএএসআর প্রতিষ্ঠানের গবেষকরা ফুসফুসের ক্যান্সারের জন্য চিকিৎসা পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন

জিরো পয়েন্ট নিউজ ডেস্ক, দিল্লী, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০:


সারা বিশ্বে ক্যান্সার সম্পর্কিত মৃত্যুর অন্যতম একটি কারণ ফুসফুসের ক্যান্সার। এটি সনাক্ত করা শক্ত, যার ফলে চিকিৎসাও কঠিন হয়ে পড়ে। চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা খুব শীঘ্রই ফুসফুসের ক্যান্সারের ব্যাপারে ডায়াগনস্টিক থেরাপির আকারে একটি চিকিৎসাগত সমাধান হাতে পেতে পারেন, যা ফুসফুসের ক্যান্সারের উপযুক্ত চিকিৎসা সংক্রান্ত ঔষধ আবিষ্কারের পথ সুগম করবে।

কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি দপ্তরের অধীন স্বশাসিত প্রতিষ্ঠান জওহরলাল নেহরু সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড সায়েন্টিফিক রিসার্চ (জেএনসিএএসআর) প্রতিষ্ঠানের গবেষকরা ফুসফুসের ক্যান্সারের জন্য ড্রাগন স্টিক্স (ডায়াগনস্টিক থেরাপি) ড্রাগ পদ্ধতি আবিষ্কার করেছে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি দপ্তরের সহায়তায় ব্রিকস্ মাল্টি লেটারাল রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট কর্মসূচির আর্থিক অনুদান এবং স্বর্ণ জয়ন্তী ফেলোশিপ অনুদানের যৌথ প্রয়াসে গবেষণামূলক এই অনুসন্ধানটি থেরনোস্টিক জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।

অনকোজিন সুনির্দিষ্ট নন-কেনোনিকাল ডিএনএ-এর মৌলিক স্ট্রাকচার বা গঠনের ভিত্তি অনুযায়ী, ক্যান্সারের জন্য ডায়াগনোস্টিক থেরাপি বা থেরানটিক্স বিকাশের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে এবং এ ধরনের থেরানটিক্সের কাঠামোগত বৈশিষ্ট্য ও তাদের গঠনগত বৈচিত্র্য ফুসফুসের ক্যান্সারের উপশমের ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে।

জেএনসিএএসআর – এর অধ্যাপক পি গোবিন্দ রাজু ও তাঁর অধীনস্ত একটি গবেষক দল এ ধরনের ক্যান্সারের ডায়াগনোস্টিক থেরাপির জন্য হাইব্রিড বাইন্ডিং মোডের মাধ্যমে নির্দিষ্ট টপোলজির জিনগত অণুর ক্রিয়াকলাপ খতিয়ে দেখে ক্যান্সার কোষগুলিকে মেরে ফেলার জন্য জিনম বা জিনগত অস্থিতিশীলতার অবস্থানকে মূলধন করে এই থেরাপির উদ্ভাবন করেছেন। গবেষক দলের এই উদ্ভাবন ক্যান্সার চিকিৎসার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের ইঙ্গিত দেয়।

গবেষক দলের এই থেরাপি ক্যান্সার টাইপ সুনির্দিষ্ট থেরানোস্টিক ড্রাগ উদ্ভাবনের পদ্ধতিকে চিকিৎসার ক্ষেত্রে গবেষকদের বড় সহায়তা যোগাতে পারে। উল্লেখ করা যেতে পারে, জেএনসিএএসআর – এর গবেষক দলের উদ্ভাবিত এই পদ্ধতিটির জন্য ইতিমধ্যেই পেটেন্ট বা স্বত্ত্ব পাওয়ার জন্য আবেদন করা হয়েছে।

Related posts

বড়সড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার পথে স্টেট ব্যাংক, উপকৃত হবেন বহু মানুষ

E Zero Point

স্পর্শ না করে করে সাবান জলের ব্যবহার, মেকানিক্যাল ভেন্টিলেটর, ই-ক্লাসরুম সফটওয়্যার, স্বল্পমূল্যের নমুনা পরীক্ষার যন্ত্র, ভাইরাস ধ্বংসকারী মাস্ক ౼ কোভিড-১৯ বিজ্ঞানীদের এই সবকিছুই দ্রুত আবিষ্কার করতে বাধ্য করেছে বলে মনে করেন গবেষকরা

E Zero Point

কোল ইন্ডিয়া ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষের মধ্যে ৫০০টি প্রকল্পে ১.২২ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি অর্থ বিনিয়োগ করবে

E Zero Point

মতামত দিন