26/02/2026 : 5:45 AM
আমার বাংলাদক্ষিণ বঙ্গপূর্ব বর্ধমানমেমারি

প্রতিষ্ঠা দিবসে যুব তৃণমূল কংগ্রেসের শীতবস্ত্র দান মেমারিতে

জিরো পয়েন্ট নিউজ ডেস্ক, মেমারি,  ২ জানুয়ারি ২০২১:


তৃণমূলের প্রতিষ্ঠা দিবসে দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক টুইট বার্তায় বলেছেন বাংলার উন্নয়নের জন্য মা-মাটি-মানুষ এবং দলের কর্মী-সমর্থকরা যে ভাবে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করেছেন তা প্রশংসাযোগ্য। সে কথাকে স্মরণে রেখে মেমারি শহর তৃণমূল যুব কংগ্রেসের উদ্যোগে গত শুক্রবার অসহায় গরীব মানুষের মধ্যে শীতবস্ত্র দান করা হল।

উক্ত কর্মসূচীতে উপস্থিত ছিলেন মেমারি বিধানসভার বিধায়িকা নার্গিস বেগম, মেমারি কলেজের পরিচালন সমিতির সভাপতি এম এম মুন্সী, মেমারি পৌরসভার প্রশাসক স্বপন বিষয়ী, মেমারি শহর তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অচিন্ত্য চট্টপাধ্যায়, সহ সভাপতি আশিষ ঘোষ দোস্তিদার, ১৩ নং ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলার বিদ্যুৎ দে সহ যুব তৃণমূল নেতৃত্ব ও কর্মীবৃন্দ।

মেমারি কলেজের সভাপতি এম এম মুন্সী তার বক্তব্যে জানান শীতবস্ত্র দানের মূল উদ্যোক্তা সৌরভ সাঁতরা যাকে তিনি শুভ নামে চেনেন। তৃণমূল দলে আসার আগে তিনি শুভকে বিভিন্ন ধরনের সামাজিক কর্মকান্ডের নেতৃ্ত্ব দিতে দেখেছিলেন তখনই তিনি বুঝেছিলেন শুভর মধ্যে এক সাংগঠনিক ক্ষমতা আছে। আজ তার প্রমাণ এই মঞ্চ থেকে তিনি পেয়েছেন।

মেমারি বিধানসভার বিধায়িকা নার্গিস বেগম তার স্বভাবসিদ্ধ বক্তব্যে বলেন, তৃণমূল সরকার মানুষের সরকার, মানুষের পাশে থাকার ব্রত নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আর্দশে পথ চলার জন্য উপস্থিত সকল কর্মীবৃন্দ অনুরোধ করেন। তিনি আরও জানান যে, সুবিধাবদী লোকেরা তাদের নিজস্ব সুবিধার জন্য দল বদল করে আর আমরা দল করি মানুষের স্বার্থে।

পৌরপ্রশাসক স্বপন বিষয়ী দলের প্রতিষ্ঠা দিবসের দিনে স্মৃতিচারণ করেন। কিভাবে মেমারি শহরের বুকে তৃণমূল তার ফুলের উন্নয়ণের সৌরভ ছড়িয়ে দিয়েছেন মেমারিবাসীর ঘরে ঘরে। শহরকে পরিছন্ন ও সুসজ্জ্বিত করার লক্ষ্যে তিনি কাজ করে চলেছেন।

অনুষ্ঠানের মূল উদ্যোক্তা এবং মেমারি শহর তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি সৌরভ সাঁতরা জানান যে, তার যুবা বিগ্রেডের সাহায্য ছাড়া এই মহৎ কাজ করা সম্ভবপর ছিল না, তাই তিনি প্রথমেই সেই তপমোয় ঘোষ, রীতম সু, সন্তু নায়েক, প্রশান্ত সিংহরায় প্রমুখ যুব কর্মীদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। তিনি তার সাবলীল বাচনভঙ্গীতে জানান যে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একটি বট বৃক্ষ। তার ছায়ার তলায় বাংলার মানুষ উপকৃত হয়েছেন। দল-ধর্ম নির্বিশেষে বাংলার মানুষের ঘরে ঘরে এমন কোন প্রকল্প নেই যে তা পৌঁছায় নি। কিছু ভিন্নধারার দল মানুষের মনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছেন তাই মানুষকে তিনি সজাগ হতে বলেছেন।

Related posts

কালনার প্রত্যন্ত গ্রামের মেয়ে অন্বেষার স্বপ্ন ডাক্তার হওয়া, বাধা অর্থাভাব

E Zero Point

কংগ্রেস কি ঘুরে দাঁড়াতে পারবে?

E Zero Point

মন্তেশ্বর স্বাস্থ্যকেন্দ্রে  যুবদের স্মারকলিপি

E Zero Point

মতামত দিন