জিরো পয়েন্ট নিউজ ডেস্ক, মেমারি, ১৭ মে ২০২১:
একদিকে কিছু মানুষ অক্সিজেনের অভাবে মৃত্যুর কোলে আশ্রয় নিচ্ছে অন্যদিকে কিছু স্বার্থান্বেষী কিছু মানুষ অক্সিজেন ও তার দ্রব্যাদির কালোবাজারী করে পকেট ভরছে- আর কিছু মানুষ এই করোনার আবহে নিজেদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ছুটে বেড়াচ্ছেন মানুষের স্বার্থেই।
মেমারির হাটপুকুর এর বাসিন্দা লক্ষ্মী বেগম শেখ এর অক্সিজেনের অভাব ঘটায় মেমরির প্রয়াস সংগঠন এর পক্ষ থেকে জামালপুরের আকাশ সংগঠনের সাথে যোগাযোগ করেন।
আকাশের পক্ষ থেকে একটি অক্সজেন সিলিন্ডার দেওয়া হয়।
আকাশের পক্ষ থেকে অয়ন চক্রবর্তী জানান যে, সম্পূর্ন বিনামূল্যে অসুস্থ মানুষের কাছে অক্সিজেন সিলিন্ডার পোঁছে দিতে বদ্ধপরিকর আকাশ এবং সেই উদ্দেশ্যেই শুরু প্রজেক্ট ব্রিথ। তিনি আরও জানান যে, কেবলমাত্র একটি সিলিন্ডার থাকায় প্রথমেই যিনি ফোন করছেন তাঁর কাছেই পাঠাতে পারছি। বাকিদের কাছ থেকে ক্ষমা চেয়ে নিতে বাধ্য হচ্ছি আমরা। চোখের সামনে শেষ হয়ে যেতে দেখছি নিজেদের প্রিয়জনদের। আরো কিছু সিলিন্ডার কিনতে পারলে হয়তো আরো একজনের মৃত্যু যন্ত্রণা দেখতে হবেনা তাঁর পরিবারকে।
অন্যদিকে মেমারি শহরের অন্যতম স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা টিম আঁচলের পক্ষ থেকে জানানো হয়
শরীরের অক্সিজেন লেভেল কমে গেছে, শ্বাসকষ্ট হচ্ছে, এখনই অক্সিজেনের দরকার অথচ হসপিটালে ভর্তি হতে পারছেন না, সমস্যা হচ্ছে মেমারির মধ্যে এমন কেউ থাকলে ফোন করুন তাদের। আঁচল পরিবার তাদের অক্সিজেন সরবরাহ করবে আপদকালীন পরিস্থিতিতে। তবে অবশ্যই ডাক্তারের প্রেসক্রিশন থাকতে হবে। এছাড়াও মেমারির সকল পথবাসী সহ ‘দিন আনা দিন খাওয়া’ সকল মানুষের একবেলার খাবারে দায়িত্ব নিল ‘টিম আঁচল’। যত দিন ‘লক ডাউন’ চলবে তত দিন খাদ্য সরবরাহ করবে ‘টিম আঁচল’।
রেড ভলেন্টিয়ার- এদের কথা এখন সকলের মুখে মুখে। গোটা রাজ্যে এই করোনা পরিস্থিতিতে তারা মানুষের পাশে সবসময়। মেমারি শহরেও রেড ভলেন্টিয়ারও পিছিয়ে নেই। রবিবার মধ্যরাতে মেমারির এক বাসিন্দার অক্সিজেন স্যাচুরেশন ৭২ -এ নেমে যাওয়ায় বর্ধমানের এক বেসরকারী নাসিংহোমে ভর্তি করে আসে মেমারির রেড ভলেন্টিয়াররা।





