কবিতা
অভিমান
পরেশ নাথ কোনার
বৃষ্টি, তোর সাথে আমার আড়ি
আর কখনো আসবি না আমার বাড়ি।
লোকে বলে মিষ্টি নাকি তুই
ফাঁকা ছাদে তোকে যখন ছুঁই।
আমি জানি তুই মিষ্টি না ঝাল
আমার প্রিয়ার সাথে বিবাদ চিরকাল।
যখন তখন মুখটি করে কালো
মুষলধারায় নেমে পড়িস হরণ করে আলো।
ভিজিয়ে দিয়ে রাস্তা ঘাট করলি সব কাদা
প্রিয়া আমার আসবে জেনে দিলি তো তুই বাধা।
এমন করলে আমার প্রিয়া আসবে কেমন করে
সকাল থেকে একটানা পড়ছিস তুই ঝরে।
যত ছিল মাটির বাড়ি ভাঙ্গলি বরিষণে
থাকবে কোথায় গরীব মানুষ ভাবলি না মনে ?
বন্যা তুই আনলি ডেকে ভাসিয়ে নদী নালা
মনের সুখে মিটিয়ে নিলি জমিয়ে রাখা জ্বালা।
কাজ কর্ম নেই যে কারো বন্দী গৃহ কোণে
খাবার – দাবার দিবি কি তুই দীন হীন সেই জনে ?
চেয়ে দেখ ঐ গাছের ডালে ভিজছে পাখি বসে
শ্রাবণের ধারার মাঝে প্রিয়া মোর কেমন করে আসে?
তাইতো বলি তোর সাথে আমার আড়ি আড়ি আড়ি
আর কখনো যাব না আমি তোদের খেলা বাড়ি।। ????️
উতল হাওয়ায় বাদল ঝরে
সাত্যকি
হাঁক ডাক টুকুই সার হল
সময়ের কাছ থেকে ফিরে আসা হল
বসে থাকা আর বসে থাকা দিয়ে
আঁকা হল না কোনো শব্দ শরীর
এরপর সাদা পৃষ্ঠায় কয়েকটা দাগ আনমনে
আর তোমার বাড়ির ঠিকানায় পৌঁছে দিয়েছি
এই ভেবে তুমি গতকাল মনে রাখবে
মনে রাখবে সেই সখ্যতায় ভরা দিনগুলো
হেঁটে যাওয়া বকুল গাছের নীচের বিকেল
হুটোপুটি করে বেড়ানো ঢেউয়ের মতো তরঙ্গ
কিন্তু ফিরতি পৃষ্ঠারা আসে নি
অপেক্ষা থেকে গেছে সন্ধ্যার আগের
আলো নেভার মতো
তারপর রাত্রি জুড়ে শ্রাবণের দিনকে
সত্যি করেছে কোনো দূরে বসে থাকা শ্রাবণী…????️
◆এই সংখ্যাটি সম্পর্কে আপনার মন্তব্য করুন নীচের কমেন্ট বক্সে।◆
