ছড়া
হুক্কা বুড়ো ও ভুত
রণধীর দাস
ওই দেখ ওই দেখ ভুত এল লাফিয়ে
চলো যাই এবার সবাই একসাথে পালিয়ে।
ছাতিম গাছের তলে ভুত আছে দাঁড়িয়ে
কেউ বুঝি চট করে দিল তাদের তাড়িয়ে।
মধ্যরাতে বাঁশবনের ওপরে ভুতগুলো নাচে
যাওয়ার পথে হুক্কা বুড়ো পালিয়েই বাঁচে।
বাড়ি ফিরে হুক্কা বুড়ো সবার মাঝে গল্প করে
শোনার আগেই বাচ্চারা আচমকা জাপটে ধরে।
বন-বাদাড়ে রাত্রিতে ঘোরে রং নাকি কালো
ভুতেরা নাকি ভয় পায় দিনের পরিস্কার আলো।
হুক্কা বুড়ো স্বপ্ন দেখে ভুত এসেছে তাঁর দেশে
মাঝরাতে তাকে নাকি নিয়ে যেতে বন্ধুবরের। বেশে।
এমন সময় চেঁচিয়ে ওঠে খেঁকশিয়ালের ডাকে
হুক্কা বুড়োর তাণ্ডবে ভুত পালিয়েছে নতুন বাঁকে।♦
চলো যাই এবার সবাই একসাথে পালিয়ে।
ছাতিম গাছের তলে ভুত আছে দাঁড়িয়ে
কেউ বুঝি চট করে দিল তাদের তাড়িয়ে।
মধ্যরাতে বাঁশবনের ওপরে ভুতগুলো নাচে
যাওয়ার পথে হুক্কা বুড়ো পালিয়েই বাঁচে।
বাড়ি ফিরে হুক্কা বুড়ো সবার মাঝে গল্প করে
শোনার আগেই বাচ্চারা আচমকা জাপটে ধরে।
বন-বাদাড়ে রাত্রিতে ঘোরে রং নাকি কালো
ভুতেরা নাকি ভয় পায় দিনের পরিস্কার আলো।
হুক্কা বুড়ো স্বপ্ন দেখে ভুত এসেছে তাঁর দেশে
মাঝরাতে তাকে নাকি নিয়ে যেতে বন্ধুবরের। বেশে।
এমন সময় চেঁচিয়ে ওঠে খেঁকশিয়ালের ডাকে
হুক্কা বুড়োর তাণ্ডবে ভুত পালিয়েছে নতুন বাঁকে।♦
কবিতা
নদী চরে এক রাত
সৈয়দ সেরিনা
শেষ নৌকায় আমরা মাত্র চারজন
মরা দামোদর কৃষ্ণদ্বাদশীর চাঁদ
বিস্তীর্ণ নদী চড়ায় মায়াময় চাঁদ
কুহুকিনী রাত মৌন সময় দশটা।
বাঁশের মাচায় পা রেখে আমরা নামি
চারিদিকে রহস্যময় বালির স্তূপ
সঙ্গে কোনো এক রাত পাখির করুণ সুর
বাতাসে ভ্রুকুটি – “আমরা এখানে আছি”!
অদূরে সারি সারি মানুষ মাথানত
পচা-গলা-কবন্ধ বিহীন লাশ
ঘনিষ্ঠ দৃষ্টিতে জীবিতের নাভি চাখে
ক্রমশ গাঢ় নিশ্বাস ওরা কাছে আসে।
প্রবল ঝড়ের মাঝে অসহায় চার
অবশেষে লুপ্তপ্রায় আলোর আশ্বাস! ♦
◆এই সংখ্যাটি সম্পর্কে আপনার মন্তব্য করুন নীচের কমেন্ট বক্সে।◆

1 টি মন্তব্য
অসাধারণ লাগলো। ভালো থাকবেন সকলে।